শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
মিররবাংলা
‘জুলাই যোদ্ধা’ কারিনার অকাল প্রয়াণ

‘জুলাই যোদ্ধা’ কারিনার অকাল প্রয়াণ

লিভারের সংক্রমণে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মারা গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ভারতের চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার সামনের সারিতে ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় পড়ালেখা করা কারিনা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও কিছুদিন ধরে অভিনয়ে নিয়মিত হচ্ছিলেন। ৩১ বছর বয়সী কারিনার অকাল প্রয়াণে তার সহকর্মীসহ স্বজনরা ভেঙ্গে পড়েছেন। কারিনার বাবা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে কারিনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। কায়সার হামিদ লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা একটু আগে চেন্নাইতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।’ ‘আমার মেয়ের কোনো ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দিবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন। পাশাপাশি লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। তবে সে পর্যায়ে আর যেতে পারেননি তারা। শনিবার (১৬ মে) কারিনার মরদেহ দেশে আনার কথা রয়েছে। কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা। 
৮ ঘন্টা আগে

ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেল স্বাগতিক বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ব্যাটিং এবং পেসার নাহিদ রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) পাকিস্তানকে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা। সব মিলিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে এই নিয়ে তৃতীয়বার পাকিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে পাকিস্তান সফরে দুই টেস্ট যথাক্রমে ১০ ও ৬ উইকেটে জিতেছিল টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৫২ রান। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৭৯ রানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৮ ও মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। পঞ্চম দিনের ১১তম বলে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। ২২ রান করে পাকিস্তান পেসার হাসান আলির শিকার হন তিনি। দলের রান ২শ পার হওয়ার আগে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাসও। ব্যক্তিগত ১১ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে আউট হন তিনি। ১৯০ রানে পঞ্চম উইকেট পতনের পর শান্ত ও মেহেদি হাসান মিরাজের ২৬ রানের জুটিতে ২শ স্পর্শ করে বাংলাদেশ। দলীয় ২১৬ রানে স্পিনার নোমান আলির বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৮৭ রানে আউট হওয়ার আগে  ১৫০ বল খেলে ৭টি চার মারেন টাইগার দলনেতা। ওয়ানডে মেজাজে খেলা মিরাজ ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ বলে ২৪ রান করেন। দলীয় ২২৫ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে মিরাজ ফেরার পর বেশি দূর যায়নি বাংলাদেশ। ৯ উইকেটে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। এতে জয়ের জন্য ৭৫ ওভারে ২৬৮ রানের টার্গেট পায় পাকিস্তান। জয়ের জন্য ২৬৮ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারের শেষ বলে উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদের বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে ক্যাচ দেন ২ রান করা ওপেনার ইমাম উল হক। এরপর ৫৪ রানের জুটি গড়েন আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে আজানকে ১৫ রানে বোল্ড করে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন স্পিনার মিরাজ। ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটার পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে ২ রানে শিকার করেন টাইগার পেসার নাহিদ রানা। এতে ৬৮ রানে ৩ উইকেটে পরিণত হয় পাকিস্তান। এ অবস্থায় চতুর্থ উইকেটে ৫৪ রানে জুটি গড়েন ফজল ও সালমান আগা। চা-বিরতির পর পাকিস্তানের দুই সেট ব্যাটারের বিদায় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ১১টি চারে ৬৬ রান করা ফজলকে আউট করেন বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। আরেক সেট ব্যাটার সালমানকে ২৬ রানে শিকার করেন তাসকিন। ১২১ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ষষ্ঠ উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সৌদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। জুটিতে ৩১ রান যোগ করে বাংলাদেশকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন তারা। দলীয় ১৫২ রানে শাকিলকে (১৫) থামিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদ। শাকিলের আউটের পর নাহিদের পেস তোপে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তান। ১৬৩ রানে অলআউট হয় তারা। ১১ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরমধ্যে ৪ উইকেট নেন নাহিদ। এই ইনিংসে ৯.৫ ওভার বল করে ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন নাহিদ। এটিই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। এর আগে ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করে ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি পান অধিনায়ক শান্ত। আগামী ১৬ মে থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। সংক্ষিপ্ত স্কোর :বাংলাদেশ : ৪১৩/১০, ১১৭.১ ওভার (শান্ত ১০১, মোমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, আব্বাস ৫/৯২)।পাকিস্তান : ৩৮৬/১০, ১০০.৩ ওভার (আজান ১০৩, ফজল ৬০, রিজওয়ান ৫৯, সালমান ৫৮, মিরাজ ৫/১০২)।বাংলাদেশ : ২৪০/৯ ডি, ৭০.৩ ওভার (শান্ত ৮৭, মোমিনুল ৫৬, হাসান ৩/৫২)।পাকিস্তান : ১৬৩/১০, ৫২.৫.৩ ওভার (ফজল ৬৬, সালমান ২৬, নাহিদ ৫/৪০)।ফল : বাংলাদেশ ১০৪ রানে জয়ী।

ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের
৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ এএম
জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি  এ বিষয়ে একমত?

জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি এ বিষয়ে একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন