বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
মিররবাংলা
ভারত থেকে আসছে ডিজেল

ভারত থেকে আসছে ডিজেল

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। প্রথম দফায় ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে আসছে।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভারতের আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে আসছে এ ডিজেলের চালান।ডিজেল আমদানির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ।তিনি বলেন, 'ইতোমধ্যে ডিজেলের পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে পাইপলাইনে করে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এ ডিজেল।'রোববার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। ভারত দ্রুতই এ আহ্বানে সাড়া দেয়।সংশ্লিস্টরা জানান, ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করার ব্যাপারে চুক্তি রয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার চুক্তি।ইউনূস সরকারের সময়কালে যখন ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠিক সেই পরিস্থিতিতেই ভারত থেকে ডিজেল আমদানির নতুন চুক্তি হয়। গত ৬ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়।২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে মেয়াদি চুক্তির আওতায় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নুমালীগড় রিফাইনারি সঙ্গে নেগোসিয়েশনের ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণ করে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৩৩ হাজার ২১৬ মার্কিন ডলারে আমদানির সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশে মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ হাজার ৪৬১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বাজেট ও ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে এই অর্থের ব্যবস্থা করা হবে।জানা গেছে, প্রতি ব্যারেল ডিজেল (প্রিমিয়াম) ৫.৫০ মার্কিন ডলার ও রেফারেন্স প্রাইস ৮৩.২২ মার্কিন ডলার। ১৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তির আওতায় ডিজেল আমদানি করছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে এ ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।
২২ ঘন্টা আগে

ভারত ফের চ্যাম্পিয়ন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। এনিয়ে তৃতীয় শিরোপা জিতল টিম ইন্ডিয়া।রোববার ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের রেকর্ড গড়ে ভারত। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভারে ১৫৯ রানেই অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ফলে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ভারত।ঠিক তিন বছর আগে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল হেরেছিল ভারত। এবার শুধু জয় নয়, বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়েছে টিম ইন্ডিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। এছাড়া স্বাগতিক দেশ হিসেবে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়লো তারা।ফাইনালে ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি কিউই টপ অর্ডার। মিচেল স্যান্টনার কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে।ভারতের পক্ষে ৪ ওভার বল করে ১৫ রানে ৪ উইকেট নেন বুমরাহ। তার ইয়র্কার ও স্লোয়ারে রীতিমতো খাবি খায় কিউই ব্যাটাররা। ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি। স্পিন আক্রমণে অক্ষর প্যাটেল তুলে নেন ৩ উইকেট।এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের রেকর্ড সংগ্রহ গড়ে ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মার ১৮ বলের বিধ্বংসী ফিফটি (৫২) এবং সঞ্জু স্যামসনের ৮৯ রানের (৪৬ বল) মারকুটে ইনিংস টার্গেট বানিয়ে দেয় বিশাল। স্যামসনের ইনিংসে ছিল সাত চার ও পাঁচটি বিশাল ছক্কার মার। এছাড়া ইশান কিশান ৫৪ এবং শেষ দিকে শিবম দুবের ৮ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংস ভারতকে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে সাহায্য করে।এবারের আসরে ভারত মোট ৯৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছে। যা এক আসরে যেকোনো দলের জন্য রেকর্ড।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথম শিরোপা জিতেছিল ভারত। গত আসরে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে দ্বিতীয় শিরোপা জিতে টিম ইন্ডিয়া। এবার সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয় শিরোপা জিতল ভারতীয় ক্রিকেট দল।

ভারত ফের চ্যাম্পিয়ন
৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ এএম
জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি  এ বিষয়ে একমত?

জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি এ বিষয়ে একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন