শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরর বাংলা
সেনাবাহিনীতে রদবদল অব্যাহত

সেনাবাহিনীতে রদবদল অব্যাহত

সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে আরেক দফা রদবদল হয়েছে। গত এক সপ্তাহে এ নিয়ে তিন দফায় গুরুত্বপূর্ন পদায়ন করা হলো।সর্বশেষ রদবদল অনুযায়ী ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল পদে বদলি করা হয়েছে। আর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফায়েজুর রহমানকে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল পদ থেকে বদলি করে এনডিসি’র কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।সেনা সদর দপ্তর সূত্রে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি)  জানা গেছে, মিলিটারি ইন্সটিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল নাসিম পারভেজকে রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগের জন্য তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামানকে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল পদ থেকে এমআইএসটি’র কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।নতুন অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসাবে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল হোসাইন আল মোরশেদকে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী থেকে স্বাভাবিক অবসরে গেছেন লগ এরিয়া কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মোস্তাগৌসুর   রহমান।এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীর কয়েকটি শীর্ষ পদে রদবদল করা হয়। তখন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।এছাড়া মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি এর আগে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) প্রধান মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীরকে রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।ডিজিএফআই-এর নতুন প্রধান করা হয় সেনা সদর দপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। তাকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ডিজিএফআই প্রধান করা হয়।রোববার দুপুরে সেনাসদর থেকে এসব বদলির আদেশ জারির পরদিন ২৩  সেনাবাহিনীর আরও দুটি শীর্ষ পর্যায়ের পদে পদোন্নতি ও রদবদল হয়। ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদউল্লাহ মিনহাজুল আলমকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে আর্টডকের জিওসি করা হয়। এছাড়া ওভারসিজ অপারেশন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন আহমদকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়।১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহনের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদগুলোতে রদবদল করা হচ্ছে।
৫ ঘন্টা আগে

রোজায় কেন মাথাব্যথা বাড়ে

রোজার মাসে ইফতারের পর অনেকের মাথাব্যথা হয়। কখনও কপালে টনটন করে, কখনও মাথার পেছনে চাপ অনুভূত হয়, আবার কারও কারও চোখের ওপর দিয়ে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। হরেক রকমের এ মাথাব্যথার রয়েছে ঘরোয়া প্রতিকার।চিকিৎসকরা বলছেন, রোজার মাসে ইফতারের পর পরই যে মাথাব্যথা শুরু হয় তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং হেডেক’ বা উপবাসজনিত মাথাব্যথা। এটি সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের হয়। মূলত এ ব্যথা কপালে অনুভূত হয়। এ ধরনের ব্যথার সঠিক কারণ জেনে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এটি অনেকাংশে এড়ানো যায়।চিকিৎসকদের মতে, ইফতারের পর মাথাব্যথার সবচেয়ে বড় কারণ পানিশূন্যতা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়। অনেকে মনে করেন ইফতারে প্রচুর পানি গ্রহণ করলেই হবে। আসলে দিনভর পানির অভাব মাথার রক্তনালী সংকুচিত করে ব্যথা তৈরি করে। যা থেকে মুক্তি পেতে অনেক সময় লাগতে পারে।অনেকের মাথাব্যথা হতে পারে অভ্যাসের কারণে। যারা নিয়মিত চা-কফি পান করেন, রোজার সময় শরীর ক্যাফিন না পেলে তারা মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। সাধারণত ক্যাফিন নেওয়ার ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর এই ব্যথা শুরু হয়। আবার রক্তে শর্করার স্বল্পতার জন্য মাথাব্যথা হতে পারে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে গ্লুকোজ কমে যায়, যা মস্তিষ্কের ‘রিসেপ্টর’গুলোকে উত্তেজিত করে। যাদের আগে থেকে মাইগ্রেইনের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজা এই ব্যথাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে। যাদের মাইগ্রেইন আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজা ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে।মাথাব্যথা কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে- পর্যাপ্ত পানি পান করা। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অল্প অল্প করে পানি পান করতে হবে। একসঙ্গে অনেক পানি গ্রহণ সমস্যা না কমিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে। আর যারা নিয়মিত চা-কফি পান করেন, রোজার সময় তারা ধীরে ধীরে ক্যাফিনের মাত্রা কমিয়ে আনলে উপকার পাবেন।চিকিৎসকরা বলছেন, মাথাব্যথা কমাতে বিশ্রাম খুব জরুরি। রোজার মাসে ঘুমের ছন্দ ঠিক থাকে না। তাই ইফতার ও সেহরির পর যতটা সম্ভব ঘুমিয়ে নিতে হবে। আর দুপুরে আধাঘণ্টা ‘পাওয়ার ন্যাপ’ নিতে পারলে ক্লান্তি কমার পাশাপাশি মাথাব্যথা কমাতে পারে। তবে যাদের মাইগ্রেইন আছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিরোধমূলক ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।রোজার মাসে মাথাব্যথা সাধারণ একটা সমস্যা। তবে ব্যথা যদি খুব তীব্র হয়, ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, বমি হয়, বিভ্রান্তি দেখা দেয়, জ্বর হয় বা শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যায়- তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

রোজায় কেন মাথাব্যথা বাড়ে
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন