সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
মিররবাংলা
তোফায়েল আহমেদের প্রয়াণ

তোফায়েল আহমেদের প্রয়াণ

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এ নেতা। জানা গেছে, বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক হিসেবে পরিচিত। তিনি পাঁচবারের অধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন মেয়াদে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন। এরপর দেশ স্বাধীনের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজ জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাসসহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন তিনি। 
৫ ঘন্টা আগে

জয়ের পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে টাইগাররা, ম্যাচের শেষ দিনে তাদের দরকার মাত্র ৩ উইকেট। আর পাকিস্তানের দরকার ১২১ রান। মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয় পেতে তাদের চাই আরও ১২১ রান। শেষ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে রিজওয়ান অপরাজিত আছেন ৭৫ রানে। শেষ দিনে অবিশ্বাস্য কিছু না ঘটলে জয়ের পাল্লা এখন বাংলাদেশের দিকে। এর আগে দ্বিতীয় সেশনে ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তানের হয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়েন সালমান ও রিজওয়ান। ৭০ বলে এই জুটির রান স্পর্শ করে পঞ্চাশ। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে রিজওয়ানের পর সালমানও পৌঁছে যান ফিফটিতে। মাঝে দুজনের জুটির শতরান পূর্ণ হয় ১৬৭ বলে। এরপর ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। শেষবেলায় নতুন বল হাতে নিয়ে তিনি সালমানকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের শতরানের জুটি ভাঙার পর হাসান আলীকেও সাজঘরে ফেরান। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক এখন তাইজুল। এ ম্যাচে ৩১ ওভারে তিনটি মেডেনসহ ১১৩ রানে তার শিকার ৪ উইকেট। তরুণ পেসার নাহিদ রানা ১৪ ওভারে দুটি মেডেনসহ ৫৮ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। বাকিটি গেছে মেহেদী হাসান মিরাজের ঝুলিতে। জয়ের জন্য দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্টের দেড়শ বছরের ইতিহাসে এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে জিততে পারেনি কোনো দল। ২০০৩ সালে অ্যান্টিগায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের কীর্তি টিকে আছে দুই দশকের বেশি সময় ধরে। আর সাদা পোশাকের সংস্করণে পাকিস্তানের চারশর বেশি রান তাড়ায় সফলতার কোনো নজির নেই। তাই আশাবাদী বাংলাদেশ। 

জয়ের পথে বাংলাদেশ
৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ এএম
জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি  এ বিষয়ে একমত?

জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি এ বিষয়ে একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন