শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
মিররবাংলা
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ‘কালরাতে’ নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস হামলার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। সেই থেকে দিনটি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আজ সরকারি ছুটির দিন। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ভোরে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হয় বড় আকারের জাতীয় পতাকা। একই সঙ্গে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভবন ও বহুতল ভবনেও পতাকা ওড়ানো হয়। বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শোভাযাত্রা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর জাহাজ। এসব জাহাজ চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা এবং বরিশালে বিআইডব্লিউটিসির ঘাটে অবস্থান করছে। এছাড়া চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের জাহাজও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি ও হাডুডুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। ঢাকাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। জাদুঘরগুলো সারাদিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। শিশুদের জন্য খোলা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। দেশব্যাপী সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও বিভিন্ন কল্যাণ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।
১০ ঘন্টা আগে

পাকিস্তান পরাস্ত, সিরিজ বাংলাদেশের

সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। আর র‍্যাংকিংয়ে উঠল নবম অবস্থানে। রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টসে হেরে যান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তারই সুবাদে ব্যাট করতে নেমে তানজিদের ১০৭ রানের ইনিংসের সাথে হৃদয়ের ৪৮ ও লিটনের ৪১ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ ২৯০ রানের সংগ্রহ পায়। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাট করেন তানজিদ। তিনি ৯৮ বলে সেঞ্চুরি ছুয়ে ইনিংস টেনেছেন ১০৭ রান পর্যন্ত। ওপেনিংয়ে তানজিদ ও সাইফ হাসানের জুটিতে আসে ১০৫ রান। ১০৭ রান করে তানজিদ থামলে ৬৮ রানের আরেক জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন লিটন-হৃদয়। তবে ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। শেষ ১০ ওভারে তারা তুলেছে মাত্র ৭৭ রান।২৯১ রানের টার্গেটে নেমে পাকিস্তান হাল ছাড়েনি। সালমান আগার সেঞ্চুরিতে ম্যাচটা টেনে নিয়েছে শেষ অবধি। শেষ ওভারে রিশাদ হোসেনের দারুণ বোলিংয়ে বাংলাদেশ পায় ১১ রানের জয়।রান তাড়ায় নেমে প্রথমেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। ১৭ রানের মধ্যে পড়ে প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের পঞ্চম বলে সাহিবজাদা ফারহানকে তুলে নিয়ে ভিন্ন বার্তা দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর মোস্তাফিজ ও নাহিদ রানা সমানতালে আঘাত হানেন। পেসারদের তোপে ৮২ রানের ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। পাকিস্তান মূলত ম্যাচ ফেরে সালমান আর  সাদ মাসুদের দারুণ জুটিতে। তাদের ৭৯ রানের জুটিতেই মূলত জমে ওঠে লড়াই। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন সাদ মাসুদ। আর তাসকিন ফেরান সালমানকে। তার আগেই সালমান খেলেন ৯৮ বলে ১০৬ রানের ইনিংস। এ পর্বে ১০ ওভার বল করে ৪৯ রানে ৪ উইকেট নেন তাসকিন।

পাকিস্তান পরাস্ত, সিরিজ বাংলাদেশের
৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ এএম
জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি  এ বিষয়ে একমত?

জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই সংস্কার। আপনি কি এ বিষয়ে একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন