পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হেসেখেলে ৮ উইকেটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টাইগারদের কাছে রীতিমতো আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট টিম।
বুধবার (১১ মার্চ) সফরকারী দল টসে হেরে ব্যাট করতে নামে। নাহিদ রানার আগুনে স্পেলে বাংলাদেশ শুরুতেই অন্যরকম বার্তা দেয় পাকিস্তানকে। ৬৯ রানের মধ্যেই প্রথম পাঁচ উইকেট হারায় পাকিস্তান। প্রথম পাঁচ ব্যাটারের উইকেট নেন নাহিদ। বাকি পাঁচ উইকেট ভাগাভাগি করেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বোলারদের দাপটে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। সব মিলিয়ে ১১৪ রান করে তারা।
মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান।
১১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তানজিদের ঝড়ো ফিফটিতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। তানজিদের সাথে ২৭ রানের উদ্বোধনী জুটির পর ফেরেন সাইফ হাসান। এরপর তানজিদের সাথে ৬৭ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন শান্ত। তখনই ম্যাচ চলে আসে একদম হাতের নাগালে। ৩২ বলে নিজের পঞ্চম ফিফটি করেন তানজিদ। ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৪২ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শান্ত করেন ৩৩ বলে ২৭ রান।
মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রায় ১১ বছর পর ৫ উইকেটের দেখা পেলেন বাংলাদেশের কোনো পেসার। এর আগে ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে নাহিদ রানা বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে প্রতিপক্ষের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের উইকেট নেন। একে একে তিনি তুলে নেন ফারহান, শামিল হুসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার উইকেট। এদিন ১০ ওভারে ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন মিরাজ।
প্রথম ম্যাচে ২০৯ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজরা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাকি কাজটা সারালেন তানজিদ হাসান তামিম।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হেসেখেলে ৮ উইকেটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টাইগারদের কাছে রীতিমতো আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট টিম।
বুধবার (১১ মার্চ) সফরকারী দল টসে হেরে ব্যাট করতে নামে। নাহিদ রানার আগুনে স্পেলে বাংলাদেশ শুরুতেই অন্যরকম বার্তা দেয় পাকিস্তানকে। ৬৯ রানের মধ্যেই প্রথম পাঁচ উইকেট হারায় পাকিস্তান। প্রথম পাঁচ ব্যাটারের উইকেট নেন নাহিদ। বাকি পাঁচ উইকেট ভাগাভাগি করেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বোলারদের দাপটে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। সব মিলিয়ে ১১৪ রান করে তারা।
মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান।
১১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তানজিদের ঝড়ো ফিফটিতে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। তানজিদের সাথে ২৭ রানের উদ্বোধনী জুটির পর ফেরেন সাইফ হাসান। এরপর তানজিদের সাথে ৬৭ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন শান্ত। তখনই ম্যাচ চলে আসে একদম হাতের নাগালে। ৩২ বলে নিজের পঞ্চম ফিফটি করেন তানজিদ। ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৪২ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শান্ত করেন ৩৩ বলে ২৭ রান।
মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রায় ১১ বছর পর ৫ উইকেটের দেখা পেলেন বাংলাদেশের কোনো পেসার। এর আগে ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে নাহিদ রানা বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে প্রতিপক্ষের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের উইকেট নেন। একে একে তিনি তুলে নেন ফারহান, শামিল হুসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার উইকেট। এদিন ১০ ওভারে ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন মিরাজ।
প্রথম ম্যাচে ২০৯ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজরা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাকি কাজটা সারালেন তানজিদ হাসান তামিম।

আপনার মতামত লিখুন