বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মিররবাংলা

বিফলে ‘দ্বিতীয় শপথ’


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬

বিফলে ‘দ্বিতীয় শপথ’
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার জন্য ‘শেষ দিন’ পেরিয়ে গেছে রোববার (১৫ মার্চ)। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ বিষয়ক আলোচনা-বিতর্ক হলেও সমাধান মেলেনি। ফলে বিরোধীদলের ৭৭ জন সদস্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে যে শপথ নিয়েছেন তা আর হয়নি কার্যকর।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী ১১ দলীয় জোট রোববারের মধ্যেই প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালে বিএনপির পক্ষে তা সরাসরি নাকচ করা হয়। বিএনপি বলেছে, এ ধরনের কোনো পরিষদ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। 

সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘পরিষদের প্রথম বৈঠক আহ্বানের সাংবিধানিক সময়সীমা প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান সংস্কার বিষয়ক গণভোট ইতোমধ্যে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরোধী দলের ৭৭ জন সদস্য ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। গণভোটের মাধ্যমে দেওয়া ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান জানাচ্ছি।’

রোববার (১৫ মার্চ) সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে  শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বর্তমান সংসদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে এবং এটি সাধারণ সাংবিধানিক সংসদীয় রূপান্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ‘২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর জারি করা একটি প্রেসিডেন্টিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে।’ ওই আদেশে ১৫টি নির্দেশনা রয়েছে, যার অধিকাংশই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংবিধান সংস্কার বিষয়ক গণভোটের সঙ্গে সম্পর্কিত। তৃতীয় থেকে পঞ্চদশ নির্দেশনা পর্যন্ত জুলাই সনদ, গণভোট প্রক্রিয়া এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে। নির্দেশনা ১০ অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশনের মতো একই পদ্ধতিতে এবং নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। আজ ৩০তম পঞ্জিকা দিবস, কিন্তু এখনও পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি।’

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭২ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদের অধিবেশন আহ্বান, মুলতবি ও ভেঙে দেন এবং সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি যে প্রধানমন্ত্রী লিখিত পরামর্শ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি সংসদের এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। কিন্তু আদেশে স্পষ্ট বলা আছে যে সংবিধান সংস্কার পরিষদও একই পদ্ধতিতে আহ্বান করতে হবে।’

জবাবে সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সংস্কার পরিষদের শপথ বা অন্যান্য বিষয় আসবে। গণভোটে জনগণের রায়কে সরকার সম্মান করে। তবে আদেশের মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল না। চারটি ভিন্ন প্রশ্নের জন্য একটি মাত্র হ্যাঁ বা না ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল, যা যৌক্তিক ছিল না।’

জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান ও আইন মেনেই পরিচালিত হয়। সরকার ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা কোনো অবৈধ বা আরোপিত আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। অথচ গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ কোনো অধ্যাদেশ বা আইন নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেন, ‘এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং রাষ্ট্রপতির কাছে অধিবেশন আহ্বানের দাবি অসাংবিধানিক।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘চলতি অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সামনে দীর্ঘ ছুটি থাকায় এই অধিবেশনে সময় পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত হলে আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।’

এ বিতর্কের মাঝেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ২৯ মার্চ রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিষয় : গণভোট জামায়াত এনসিপি সংসদ শপথ সংবিধান সংস্কার

আপনার মতামত লিখুন

মিররবাংলা

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


বিফলে ‘দ্বিতীয় শপথ’

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার জন্য ‘শেষ দিন’ পেরিয়ে গেছে রোববার (১৫ মার্চ)। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ বিষয়ক আলোচনা-বিতর্ক হলেও সমাধান মেলেনি। ফলে বিরোধীদলের ৭৭ জন সদস্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে যে শপথ নিয়েছেন তা আর হয়নি কার্যকর।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী ১১ দলীয় জোট রোববারের মধ্যেই প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালে বিএনপির পক্ষে তা সরাসরি নাকচ করা হয়। বিএনপি বলেছে, এ ধরনের কোনো পরিষদ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। 

সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘পরিষদের প্রথম বৈঠক আহ্বানের সাংবিধানিক সময়সীমা প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান সংস্কার বিষয়ক গণভোট ইতোমধ্যে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরোধী দলের ৭৭ জন সদস্য ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। গণভোটের মাধ্যমে দেওয়া ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান জানাচ্ছি।’

রোববার (১৫ মার্চ) সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে  শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বর্তমান সংসদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে এবং এটি সাধারণ সাংবিধানিক সংসদীয় রূপান্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ‘২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর জারি করা একটি প্রেসিডেন্টিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে এই সংসদ গঠন করা হয়েছে।’ ওই আদেশে ১৫টি নির্দেশনা রয়েছে, যার অধিকাংশই জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংবিধান সংস্কার বিষয়ক গণভোটের সঙ্গে সম্পর্কিত। তৃতীয় থেকে পঞ্চদশ নির্দেশনা পর্যন্ত জুলাই সনদ, গণভোট প্রক্রিয়া এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে। নির্দেশনা ১০ অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশনের মতো একই পদ্ধতিতে এবং নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। আজ ৩০তম পঞ্জিকা দিবস, কিন্তু এখনও পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি।’

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭২ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদের অধিবেশন আহ্বান, মুলতবি ও ভেঙে দেন এবং সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি যে প্রধানমন্ত্রী লিখিত পরামর্শ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি সংসদের এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। কিন্তু আদেশে স্পষ্ট বলা আছে যে সংবিধান সংস্কার পরিষদও একই পদ্ধতিতে আহ্বান করতে হবে।’

জবাবে সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সংস্কার পরিষদের শপথ বা অন্যান্য বিষয় আসবে। গণভোটে জনগণের রায়কে সরকার সম্মান করে। তবে আদেশের মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল না। চারটি ভিন্ন প্রশ্নের জন্য একটি মাত্র হ্যাঁ বা না ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল, যা যৌক্তিক ছিল না।’

জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান ও আইন মেনেই পরিচালিত হয়। সরকার ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা কোনো অবৈধ বা আরোপিত আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। অথচ গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ কোনো অধ্যাদেশ বা আইন নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেন, ‘এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং রাষ্ট্রপতির কাছে অধিবেশন আহ্বানের দাবি অসাংবিধানিক।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘চলতি অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সামনে দীর্ঘ ছুটি থাকায় এই অধিবেশনে সময় পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত হলে আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।’

এ বিতর্কের মাঝেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ২৯ মার্চ রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।


মিররবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিররবাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত