প্রতিদিনই বাড়ছে ‘হামের উপসর্গ নিয়ে’ শিশুর মৃত্যু। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৫ জনের মধ্যে সন্দেহজনক হাম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে নিশ্চিত ‘হাম আক্রান্ত’ ছিল ১ জন ও ৮ জন ‘হামের উপসর্গ’ নিয়ে মারা গেছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া চারজন ঢাকা জেলার। ঢাকা বিভাগে সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ছয়জন।
এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ১২৯ জনের। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।
অন্যদিকে, সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৬৫২ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে বাসায় ফিরে গেছে ৯ হাজার ৩০৪ জন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিদিনই বাড়ছে ‘হামের উপসর্গ নিয়ে’ শিশুর মৃত্যু। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৫ জনের মধ্যে সন্দেহজনক হাম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে নিশ্চিত ‘হাম আক্রান্ত’ ছিল ১ জন ও ৮ জন ‘হামের উপসর্গ’ নিয়ে মারা গেছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া চারজন ঢাকা জেলার। ঢাকা বিভাগে সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ছয়জন।
এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ১২৯ জনের। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।
অন্যদিকে, সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৬৫২ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে বাসায় ফিরে গেছে ৯ হাজার ৩০৪ জন।

আপনার মতামত লিখুন