রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) মূল প্ল্যান্ট ফের চালু হয়েছে। ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেলের মজুদ শেষ হওয়ায় প্ল্যান্ট ২৬দিন বন্ধ ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ ক্রুড অয়েলের চালান এসেছিল। যা শেষ হয়ে গেলে ইস্টার্ন রিফাইনারির মূল প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের চালান নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে গত বুধবার দুপুরে কুতুবদিয়া চ্যানেলে আসে। কিন্তু বিশাল জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে আসতে পারেনি। ফলে ছোট ছোট ট্যাংকার জাহাজে মাল খালাস করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টায় তেল শোধনাগারটিতে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাত।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে রিফাইনারিতে যুক্ত হয়েছে। আমাদের প্ল্যান্ট চালু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর উৎপাদন শুরু হবে। ধাপে ধাপে আমরা পুরোদমে উৎপাদনে যাব। ক্রুড অয়েলের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল সাময়িকভাবে প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।’
কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, ‘নিরাপদে এমটি নিনেমিয়া দেশে পৌঁছেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা থেকে আরও এক লাখ টন ক্রুড নেওয়ার জন্য ‘এমটি ফসিল’ নামের ট্যাংকার পাঠানো হয়েছে। সেটি ১০ মে লোড করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।’
জানা যায়, ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের বার্ষিক ৭২ লাখ টন চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিপিসি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি বিক্রি করেছে।
বিষয় : জ্বালানি তেল জাহাজ ইস্টার্ন রিফাইনারি

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) মূল প্ল্যান্ট ফের চালু হয়েছে। ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেলের মজুদ শেষ হওয়ায় প্ল্যান্ট ২৬দিন বন্ধ ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ ক্রুড অয়েলের চালান এসেছিল। যা শেষ হয়ে গেলে ইস্টার্ন রিফাইনারির মূল প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের চালান নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে গত বুধবার দুপুরে কুতুবদিয়া চ্যানেলে আসে। কিন্তু বিশাল জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে আসতে পারেনি। ফলে ছোট ছোট ট্যাংকার জাহাজে মাল খালাস করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টায় তেল শোধনাগারটিতে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শরীফ হাসনাত।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে রিফাইনারিতে যুক্ত হয়েছে। আমাদের প্ল্যান্ট চালু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর উৎপাদন শুরু হবে। ধাপে ধাপে আমরা পুরোদমে উৎপাদনে যাব। ক্রুড অয়েলের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল সাময়িকভাবে প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।’
কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, ‘নিরাপদে এমটি নিনেমিয়া দেশে পৌঁছেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা থেকে আরও এক লাখ টন ক্রুড নেওয়ার জন্য ‘এমটি ফসিল’ নামের ট্যাংকার পাঠানো হয়েছে। সেটি ১০ মে লোড করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।’
জানা যায়, ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের বার্ষিক ৭২ লাখ টন চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিপিসি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি বিক্রি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন