প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। এতে পার্টি অফিসের সামনের সড়ক কার্যত অচল হয়ে পড়ে। তারেক রহমান পরে ব্যালকনিতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা করতে হবে, সবকিছু যেন স্বাভাবিক থাকে। আমি অফিসে আরও আসব, তবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। মানুষের চলাফেরা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। আমাদের এখন প্রথম কাজ হচ্ছে রাস্তাটা ক্লিয়ার করা।’
‘দলীয় কার্যালয়ে এলে সাংগঠনিক কাজ করা যাবে এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি অফিসে আসতে পারব, না থাকলে পারব না। ভবিষ্যতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা না হলে আমার পক্ষে এখানে আসা কঠিন হবে।’
তিনি নেতাকর্মীদের দ্রুত সড়ক ফাঁকা করে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে, আইনশৃঙ্খলার ভেতরে থাকতে হবে এবং আমাদেরকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। দেশে নানা সমস্যা রয়েছে— এসব বিষয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে এবং তাদের ধৈর্য ধারণে সহযোগিতা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। তাই কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন মানুষের কষ্ট বা অসুবিধা না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকাতে হবে।’
দলের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ধৈর্য ধরে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে এবং কোনোভাবে যেন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বিষয় : বিএনপি তারেক রহমান নয়াপল্টন

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। এতে পার্টি অফিসের সামনের সড়ক কার্যত অচল হয়ে পড়ে। তারেক রহমান পরে ব্যালকনিতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা করতে হবে, সবকিছু যেন স্বাভাবিক থাকে। আমি অফিসে আরও আসব, তবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। মানুষের চলাফেরা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। আমাদের এখন প্রথম কাজ হচ্ছে রাস্তাটা ক্লিয়ার করা।’
‘দলীয় কার্যালয়ে এলে সাংগঠনিক কাজ করা যাবে এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি অফিসে আসতে পারব, না থাকলে পারব না। ভবিষ্যতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা না হলে আমার পক্ষে এখানে আসা কঠিন হবে।’
তিনি নেতাকর্মীদের দ্রুত সড়ক ফাঁকা করে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে, আইনশৃঙ্খলার ভেতরে থাকতে হবে এবং আমাদেরকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। দেশে নানা সমস্যা রয়েছে— এসব বিষয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে এবং তাদের ধৈর্য ধারণে সহযোগিতা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। তাই কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন মানুষের কষ্ট বা অসুবিধা না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকাতে হবে।’
দলের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ধৈর্য ধরে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে এবং কোনোভাবে যেন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আপনার মতামত লিখুন