সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজেই। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তার এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি প্রক্রিয়াধীন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, 'পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে আমি বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন সমুন্নত রাখাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।'
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রের ১৮তম প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আইনি অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনি লড়াইয়ে সামনের সারিতে ছিলেন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে তার নেতৃত্বে আইনি সহায়তা সাব-কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সর্বশেষ নির্বাচিত সম্পাদক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পান আসাদুজ্জামান। পরে তিনি পদত্যাগ করে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ঝিনাইদহ থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সময় তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটির অধীনে আইনের ওপর পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা করেন কাজল। পরে লিংকনস ইন থেকে 'বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স’ শেষ করে 'ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল' সনদ পান।
১৯৯৫ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত রুহুল কুদ্দুস কাজল ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনে সেকেন্ড সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। দেশে ফিরে তিনি ফের আইন পেশায় যোগ দেন এবং ২০০৮ সালে আপিল বিভাগে ওকালতি করার অনুমতি পান।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজেই। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তার এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি প্রক্রিয়াধীন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, 'পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে আমি বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন সমুন্নত রাখাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।'
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রের ১৮তম প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আইনি অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনি লড়াইয়ে সামনের সারিতে ছিলেন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে তার নেতৃত্বে আইনি সহায়তা সাব-কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সর্বশেষ নির্বাচিত সম্পাদক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পান আসাদুজ্জামান। পরে তিনি পদত্যাগ করে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ঝিনাইদহ থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সময় তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটির অধীনে আইনের ওপর পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা করেন কাজল। পরে লিংকনস ইন থেকে 'বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স’ শেষ করে 'ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল' সনদ পান।
১৯৯৫ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত রুহুল কুদ্দুস কাজল ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনে সেকেন্ড সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। দেশে ফিরে তিনি ফের আইন পেশায় যোগ দেন এবং ২০০৮ সালে আপিল বিভাগে ওকালতি করার অনুমতি পান।

আপনার মতামত লিখুন