মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
মিররবাংলা

তেল নিয়ে টানাটানি


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬

তেল নিয়ে টানাটানি
প্রতীকী ছবি

জ্বালানি তেলের জন্য সারাদেশের ফিলিং স্টেশনে রীতিমতো যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দীর্ঘ লাইন রাতদিন। অনেকেই তেল পেতে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরছেন ক্ষোভ নিয়ে। এ অবস্থায় সরকার জ্বালানি তেলের রেশনিং চালু করেছে, তাতে আরেক দফা বেড়েছে ভোগান্তি। পাম্প থেকে সংগ্রহ করা তেলে দিন পার করা হয়ে উঠেছে দুস্কর।

সরকারের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেট কার ১০ লিটার, মাইক্রোবাস ২০-২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাস ৭০-৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ২০০-২২০ লিটার তেল কিনতে পারবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট আসন্ন, এমন ভাবনায় পাম্পে ভিড় করছেন যানবাহন মালিক ও চালকরা। রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন পাম্পে গত কয়েক দিনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জ্বালানি সংগ্রহের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের জারি করা জরুরি এ নির্দেশনায় প্রত্যেকটি ফিলিং স্টেশন কতটুকু জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে, ভোক্তাদের মধ্যে কারা কতটুকু জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন- সেটি নির্ধারণ করা আছে। ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, এই মূহূর্তে জ্বালানির সংকট নেই, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের চেষ্টা করতে হবে।

নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- 

১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। 

২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। 

৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। 

৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। 

৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

বিষয় : ফিলিং স্টেশন জ্বালানি তেল

আপনার মতামত লিখুন

মিররবাংলা

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


তেল নিয়ে টানাটানি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেলের জন্য সারাদেশের ফিলিং স্টেশনে রীতিমতো যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দীর্ঘ লাইন রাতদিন। অনেকেই তেল পেতে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরছেন ক্ষোভ নিয়ে। এ অবস্থায় সরকার জ্বালানি তেলের রেশনিং চালু করেছে, তাতে আরেক দফা বেড়েছে ভোগান্তি। পাম্প থেকে সংগ্রহ করা তেলে দিন পার করা হয়ে উঠেছে দুস্কর।

সরকারের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেট কার ১০ লিটার, মাইক্রোবাস ২০-২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাস ৭০-৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ২০০-২২০ লিটার তেল কিনতে পারবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট আসন্ন, এমন ভাবনায় পাম্পে ভিড় করছেন যানবাহন মালিক ও চালকরা। রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন পাম্পে গত কয়েক দিনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জ্বালানি সংগ্রহের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের জারি করা জরুরি এ নির্দেশনায় প্রত্যেকটি ফিলিং স্টেশন কতটুকু জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে, ভোক্তাদের মধ্যে কারা কতটুকু জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন- সেটি নির্ধারণ করা আছে। ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, এই মূহূর্তে জ্বালানির সংকট নেই, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের চেষ্টা করতে হবে।

নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- 

১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। 

২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে। 

৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে। 

৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে। 

৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।


মিররবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিররবাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত