রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
মিররবাংলা

আর্কাইভ দেখুন

'আড়ং-কাণ্ডে' ভাইরাল রুমিন

'আড়ং-কাণ্ডে' ভাইরাল রুমিন

লাখ টাকার শপিং করলেও আড়ংয়ের শোরুম ক্রেতাকে 'ফ্রি' দেয় না শপিংব্যাগ। অতিরিক্ত টাকা দিলে তবেই ক্রেতা পান আড়ংয়ের ব্যাগ। এমন আজব নিয়মের অভিনব প্রতিবাদ করেছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। মায়ের জন্য কেনা চারটি কাপড় তিনি হাতে করে নিয়েই আড়ং থেকে বেরিয়ে আসেন। আর সেই ছবি প্রকাশ পেলে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ ঘটনা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।জানা যায়,  রুমিন ফারহানা মায়ের জন্য কাপড় কিনতে রাজধানীর উত্তরায় আড়ংয়ের শোরুমে গিয়েছিলেন। কাউন্টারে বিল পরিশোধ করার পর তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় চারটি কাপড়। ব্যাগ ছাড়াই ‘হাতে কাপড় ধরিয়ে দেওয়ার' ঘটনায় বিব্রত হন তিনি। ব্যাগ নিতে হলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে, এমন কথা জানানো হয়। এ সময় রুমিন কাপড় হাতে করে আড়ং থেকে বেরিয়ে পড়েন।জাকির হোসেন শুভ এ ঘটনা জানিয়ে ফেসবুকে লিখেন, ‘আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকু সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের পক্ষ থেকে। আমরা গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনব, কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাব না—এটা কেমন নিয়ম?'পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর।'ঘটনা ভাইরাল হলে শনিবার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইফতারের পর রাজধানীর উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শোরুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে কোনো ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। আমি সেভাবেই কাপড় নিয়ে চলে আসি।’ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনে কেন আমি দাম দিয়ে ব্যাগ নেব। এটা কোনো বিষয় হতে পারে না। আমি আসলে আড়ংয়ে যাই না। জীবনেও যেতাম না। কিন্তু আমার মায়ের গায়ে লাগে এমন কাপড় আড়ংয়েই পাওয়া যায় বলে সেখানে যাওয়া।’ 


বাগেরহাটে ব্যবসায়ীকে হত্যা

বাগেরহাটে ব্যবসায়ীকে হত্যা

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সোহাগ শেখ (৪২) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি শ্রমিক লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উদয়পুরের পানবাজারে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহাগ শেখ মোল্লাহাট উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। উদয়পুর বাজারে তার ঢেউটিনের দোকান আছে। তিনি উদয়পুর ইউনিয়নের দৈবকান্দী গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে।মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক বলেন, 'দুজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে সোহাগ শেখকে গুলি করে বলে জানতে পেরেছি। তার শরীরে তিনটি গুলি লেগেছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। সোহাগ শেখের মরদেহ মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।'ওসি আরও বলেন, 'কারা কী কারণে এই নেতাকে হত্যা করেছে, তা জানতে পারিনি। ব্যবসায়িক না রাজনৈতিক বিরোধ, তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না।' স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ। বাজারের পশ্চিম পাশের রাস্তায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


মির্জা আব্বাসকে নেওয়া হচ্ছে সিঙ্গাপুরে

মির্জা আব্বাসকে নেওয়া হচ্ছে সিঙ্গাপুরে

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আংশিক উন্নতি হয়েছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।স্বজনরা জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে রোববার (১৫ মার্চ) যেকোনো সময় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা ছাড়বেন মির্জা আব্বাস। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে।গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শুক্রবার দু’দফায় মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। শনিবার সকালে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করা হয়, যার প্রতিবেদন ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন। শুক্রবার তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে মির্জা আব্বাসকে দেখে এসেছেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিরোধীদলের নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ অনেক জাতীয় নেতা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান।মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, 'রোববার বেলা ১১টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ সন্তান মির্জা ইয়াসির আব্বাসও তার সঙ্গে যাবেন।'