রোববার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
মিরর বাংলা

খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা অনিশ্চিত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলে যে আলোচনা চলছে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। নানা কারণে সিদ্ধান্তের কয়েক দফার পরিবর্তন এক ধরণের অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। কার্যত তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চুড়ান্ত অনুমোদন ছাড়া এ মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে না বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কবে নাগাদ অনুমোদন মিলবে, তাও অনিশ্চিত।রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের গেইটের সামনে শনিবার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমন ধারণা দিয়েছেন।অন্যদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া দেশেই চিকিৎসা নিতে চান। তিনি বিদেশে যেতে অনিচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।জোবাইদার এ বক্তব্য রাজনৈতিক নানা গুঞ্জনকে আরো জোরালো করেছে। রবিবার রাত পর্যন্ত খালেদা জিয়ার বিদেশগমন বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি। এর আগে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জাহিদ হোসেন বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলাম। কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কারিগরি ক্রটির কারণে আসতে পারেনি। অন্যদিকে মেডিকেল বোর্ড জরুরিভাবে সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ওই মুহূর্তে উনার ফ্লাই করা সঠিক হবে না। সেজন্যই উনাকে বিদেশ নেয়ার কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো শারীরিক অবস্থা বলে দেবে, উনাকে কখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া যাবে।তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ড এবং অ্যাম্বুলেন্স সব সময় প্রস্তুত আছে, কিন্তু প্রস্তুত থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ম্যাডামের সুচিকিৎসা এবং উনার নিরাপত্তা সর্বত্র প্রাধান্য পাচ্ছে।  আর ম্যাডামের স্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। আর চিকিৎসকদের মতামতকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ড অত্যন্ত আশাবাদী, উনার যে শারীরিক জটিলতা, এটা থেকে আপনাদের দোয়া এবং আল্লাহ’র অশেষ মেহেরবানীতে সুস্থ হবেন। আর বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। মেডিকেল বোর্ড যখন যথোপযুক্তভাবে তৈরি মনে করবেন, শারীরিকভাবে মনে হবে উনাকে সেইফলি ট্রান্সফার করা যাবে, তখন বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে।

খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা অনিশ্চিত