হত্যা, গুম, দুর্নীতিসহ সব অভিযোগে নিজের ‘সম্পৃক্ততা’ অস্বীকার করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শেখ মামুন খালেদ। খালেদা জিয়ার পরিবারের কাউকে নির্যাতন নয় বরং তারেক রহমানের জামিনের বিষয়ে তিনি সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক এ মহাপরিচালক।
আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মামুন খালেদকে বুধবার দিবাগত রাতে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা (ডিবি)। রাতভর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে রাখার পর মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শুনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ।
এদিকে মামুন খালেদ সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আমরা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দেলোয়ার হোসেন নামে এক আন্দোলনকারীকে হত্যার দায়ে তার নামে মিরপুর মডেল থানায় মামলা হয়। ২০২৫ সালের ৬ই জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লিজা বাদী হয়ে ওই মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলায় অভিযুক্ত এই শেখ মামুন খালেদ। দুদকসহ তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। মিরপুর মডেল থানার হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হয়।’
হত্যা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি’র এসআই কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে জানান, ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে দেলোয়ার হোসেন (৪০) জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের সন্ত্রাসীরা মামুন খালেদের নির্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১শে জুলাই দেলোয়ার মারা যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করে। এই মামলার ঘটনার সঙ্গে মামুন খালেদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড দরকার।
রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি আদালতে বলেন, ‘মামুন খালেদ এক-এগারোর সময়ের কুশীলবদের একজন। তখন তিনি ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় এ আসামি ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাদের বন্দী করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেন এবং হেনস্তা করেন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে যারা সহযোগিতার করছিলেন, তাদের মধ্যে তিনি একজন। যার পুরস্কারস্বরূপ তিনি ডিজিএফআইয়ের প্রধান হন। তারপর আয়নাঘর (গোপন বন্দিশালা) তৈরি করেন। সেখানে অত্যাচার, গানপাউডার দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারাসহ নানা অপরাধ করেন। পাশাপাশি ডিজিএফআইকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেন।’
রাষ্ট্রপক্ষের এ কৌঁসুলি আরও বলেন, ‘তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে এক কাপড়ে বের করে দেন এই মামুন খালেদ। সে কারণে শেখ হাসিনা তাকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দেন। এ ছাড়া মামুন খালেদ জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সে কারণে ইতিমধ্যে আদালত তিনি ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এসব বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন বলেন,‘হত্যা মামলার এজাহারে মামুন খালেদের নাম নেই। বাদী সেখানে নির্দিষ্টভাবে আসামিদের নাম বলে দিয়েছেন। উচ্চ আদালতের আদেশে বলা আছে, যেকোনো মামলা হতে হলে নির্ভরযোগ্য চারটি কারণ থাকতে হবে, তার একটিও রাষ্ট্রপক্ষ দেখাতে পারেনি। তিনি ওই সময় একজন চাকরিজীবী ছাড়া আর কিছু ছিলেন না।’
রিমান্ড আবেদন বাতিল করে মামুন খালেদের জামিন আবেদন করেন এ আইনজীবী।
আসামিপক্ষের আরেক আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি মামুন খালেদ তিন যুগের বেশি সময় ধরে পাঁচটি পদে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি পদেও তিনি আইনবহির্ভূতভাবে সুবিধা নেননি। আয়নাঘরের দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের বহু আগে ২০১৬ সালে তিনি অবসরে গেছেন।’
এদিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন আসামি মামুন খালেদ। তিনি বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘এক-এগারোর সময় তখন আমি কুমিল্লায়। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেবের জামিনে সরাসরি ভূমিকা পালন করেছি। আয়নাঘরের বিষয়ে ইতিমধ্যে দুই-তিনবার কথা বলেছি। আমার সময়কালে (গুমের) কোনো অভিযোগ নেই।’
তিনি আদালতে আরও বলেন, ‘জলসিঁড়ি প্রকল্পের টাকার যে অভিযোগ, সেটি হচ্ছে- নজরুল সাহেব নামে একজনের ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা উদ্ধারের দায়িত্ব আমাকে দেন। আমি শুধু উদ্ধারের কাজে ছিলাম।’
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিউইপি) প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য পরিচয় দিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় সেখানকার শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। এমনকি এ হত্যা মামলার অভিযোগে যে জায়গার কথা বলা হয়েছে, ওখানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ, তখন ডিওএইচএসের বাইরে আমি যাইনি। ২৪ সালে আমার কথামতো কে গুলি করবে? তখন তো আমি সিভিলিয়ান।’

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
হত্যা, গুম, দুর্নীতিসহ সব অভিযোগে নিজের ‘সম্পৃক্ততা’ অস্বীকার করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শেখ মামুন খালেদ। খালেদা জিয়ার পরিবারের কাউকে নির্যাতন নয় বরং তারেক রহমানের জামিনের বিষয়ে তিনি সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক এ মহাপরিচালক।
আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মামুন খালেদকে বুধবার দিবাগত রাতে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা (ডিবি)। রাতভর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে রাখার পর মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শুনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ।
এদিকে মামুন খালেদ সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আমরা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দেলোয়ার হোসেন নামে এক আন্দোলনকারীকে হত্যার দায়ে তার নামে মিরপুর মডেল থানায় মামলা হয়। ২০২৫ সালের ৬ই জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লিজা বাদী হয়ে ওই মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলায় অভিযুক্ত এই শেখ মামুন খালেদ। দুদকসহ তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। মিরপুর মডেল থানার হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাকে আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হয়।’
হত্যা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি’র এসআই কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে জানান, ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে দেলোয়ার হোসেন (৪০) জুলাই ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের সন্ত্রাসীরা মামুন খালেদের নির্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১শে জুলাই দেলোয়ার মারা যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করে। এই মামলার ঘটনার সঙ্গে মামুন খালেদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড দরকার।
রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি আদালতে বলেন, ‘মামুন খালেদ এক-এগারোর সময়ের কুশীলবদের একজন। তখন তিনি ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন। সে সময় এ আসামি ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাদের বন্দী করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেন এবং হেনস্তা করেন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে যারা সহযোগিতার করছিলেন, তাদের মধ্যে তিনি একজন। যার পুরস্কারস্বরূপ তিনি ডিজিএফআইয়ের প্রধান হন। তারপর আয়নাঘর (গোপন বন্দিশালা) তৈরি করেন। সেখানে অত্যাচার, গানপাউডার দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারাসহ নানা অপরাধ করেন। পাশাপাশি ডিজিএফআইকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেন।’
রাষ্ট্রপক্ষের এ কৌঁসুলি আরও বলেন, ‘তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে এক কাপড়ে বের করে দেন এই মামুন খালেদ। সে কারণে শেখ হাসিনা তাকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দেন। এ ছাড়া মামুন খালেদ জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সে কারণে ইতিমধ্যে আদালত তিনি ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এসব বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে মামুন খালেদকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন বলেন,‘হত্যা মামলার এজাহারে মামুন খালেদের নাম নেই। বাদী সেখানে নির্দিষ্টভাবে আসামিদের নাম বলে দিয়েছেন। উচ্চ আদালতের আদেশে বলা আছে, যেকোনো মামলা হতে হলে নির্ভরযোগ্য চারটি কারণ থাকতে হবে, তার একটিও রাষ্ট্রপক্ষ দেখাতে পারেনি। তিনি ওই সময় একজন চাকরিজীবী ছাড়া আর কিছু ছিলেন না।’
রিমান্ড আবেদন বাতিল করে মামুন খালেদের জামিন আবেদন করেন এ আইনজীবী।
আসামিপক্ষের আরেক আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি মামুন খালেদ তিন যুগের বেশি সময় ধরে পাঁচটি পদে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি পদেও তিনি আইনবহির্ভূতভাবে সুবিধা নেননি। আয়নাঘরের দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের বহু আগে ২০১৬ সালে তিনি অবসরে গেছেন।’
এদিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন আসামি মামুন খালেদ। তিনি বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘এক-এগারোর সময় তখন আমি কুমিল্লায়। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেবের জামিনে সরাসরি ভূমিকা পালন করেছি। আয়নাঘরের বিষয়ে ইতিমধ্যে দুই-তিনবার কথা বলেছি। আমার সময়কালে (গুমের) কোনো অভিযোগ নেই।’
তিনি আদালতে আরও বলেন, ‘জলসিঁড়ি প্রকল্পের টাকার যে অভিযোগ, সেটি হচ্ছে- নজরুল সাহেব নামে একজনের ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা উদ্ধারের দায়িত্ব আমাকে দেন। আমি শুধু উদ্ধারের কাজে ছিলাম।’
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিউইপি) প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য পরিচয় দিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় সেখানকার শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হয়। এমনকি এ হত্যা মামলার অভিযোগে যে জায়গার কথা বলা হয়েছে, ওখানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ, তখন ডিওএইচএসের বাইরে আমি যাইনি। ২৪ সালে আমার কথামতো কে গুলি করবে? তখন তো আমি সিভিলিয়ান।’

আপনার মতামত লিখুন