রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
মিররবাংলা

৪ সিটিতে হামের টিকা


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

৪ সিটিতে হামের টিকা
প্রতীকী ছবি

দেশে হামের উদ্বেগজনক প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচির পরিসর বাড়ানো হয়েছে। রবিবার থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল থেকে এই কার্যক্রম সারা দেশে শুরু হবে। 

সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। তবে যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, চার মহানগরীতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাম প্রতিরোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ওই দিন থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এমআর টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম চালু হয়। সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুরুতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশু এমআর টিকা পাবে। 

সরকারের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩ মে থেকে সারা দেশে কর্মসূচি শুরুর কথা থাকলেও তা এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে টিকা নেওয়া থাকলেও চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় টিকা গ্রহণ করা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। 

বিষয় : শিশু হাম টিকা

আপনার মতামত লিখুন

মিররবাংলা

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


৪ সিটিতে হামের টিকা

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশে হামের উদ্বেগজনক প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচির পরিসর বাড়ানো হয়েছে। রবিবার থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল থেকে এই কার্যক্রম সারা দেশে শুরু হবে। 

সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। তবে যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, চার মহানগরীতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাম প্রতিরোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ওই দিন থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এমআর টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম চালু হয়। সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুরুতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশু এমআর টিকা পাবে। 

সরকারের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩ মে থেকে সারা দেশে কর্মসূচি শুরুর কথা থাকলেও তা এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে টিকা নেওয়া থাকলেও চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় টিকা গ্রহণ করা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। 


মিররবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিররবাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত