শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
মিররবাংলা

সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের প্রশ্নে সংসদে আলোচনা হলেও তা নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন তারা। 

অধিবেশন চলাকালে পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের সংস্কার প্রস্তাব এবং পরিষদ গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা উচিত। জনগণের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে এবং সংকট নিরসনে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারতো। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। 

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিরোধী দলের প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার নজির খুব কম থাকলেও বর্তমান অধিবেশনে আলোচনার স্বার্থে তা গ্রহণ করা হয়েছে। 

স্পিকার আরও বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে আলোচনার অবারিত সুযোগ রয়েছে এবং আগামীতেও এ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। 

তবে  বিরোধী দল স্পিকারের এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাদের মূল নোটিশকে ধামাচাপা দিতে অন্য একটি নোটিশ সামনে আনা হয়েছে। তিনি একে জনগণের রায়ের অবমূল্যায়ন এবং সংসদীয় রীতির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন। 

এই অভিযোগ তুলে বিরোধী দলের সকল সাংসদদের নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করার ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন বিরোধীদলীয় সাংসদরা। বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতেই সংসদের পরবর্তী কার্যক্রম চলমান থাকে। 

বিষয় : সংসদ সংবিধান সংস্কার ওয়াকআউট

আপনার মতামত লিখুন

মিররবাংলা

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬


সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের প্রশ্নে সংসদে আলোচনা হলেও তা নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন তারা। 

অধিবেশন চলাকালে পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের সংস্কার প্রস্তাব এবং পরিষদ গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা উচিত। জনগণের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে এবং সংকট নিরসনে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারতো। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। 

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিরোধী দলের প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার নজির খুব কম থাকলেও বর্তমান অধিবেশনে আলোচনার স্বার্থে তা গ্রহণ করা হয়েছে। 

স্পিকার আরও বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে আলোচনার অবারিত সুযোগ রয়েছে এবং আগামীতেও এ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। 

তবে  বিরোধী দল স্পিকারের এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাদের মূল নোটিশকে ধামাচাপা দিতে অন্য একটি নোটিশ সামনে আনা হয়েছে। তিনি একে জনগণের রায়ের অবমূল্যায়ন এবং সংসদীয় রীতির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন। 

এই অভিযোগ তুলে বিরোধী দলের সকল সাংসদদের নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করার ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন বিরোধীদলীয় সাংসদরা। বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতেই সংসদের পরবর্তী কার্যক্রম চলমান থাকে। 


মিররবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিররবাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত