প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে আটক করে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম আটকের তথ্য নিশ্চিত করলেও মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্ক বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এর আগে গত সোমবার রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মানব পাচারের একটি মামলায় বর্তমানে তিনি পুলিশি রিমান্ডে আছেন।
সেনাবাহিনীর সাবেক তিন তারকা জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দুই দিনের মধ্যে আরেক সাবেক তিন তারকা জেনারেলকে আটকের ঘটনা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আলোচিত ‘এক-এগারো’ অধ্যায়ের অন্যতম কুশীলব শেখ মামুন খালেদ। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনার সময় তিনি কুমিল্লায় কর্নেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সিগন্যালস কোরের কর্মকর্তা হিসেবে শেখ মামুন ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ডিজিএফআইতে পরিচালক (এফএসআইবি) হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০০৮ সালের জুনে তিনি ব্রিগেডিয়ার চৌধুরী ফজলুল বারির স্থলাভিষিক্ত হয়ে পরিচালকের (কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর-সিআইবি) দায়িত্ব পালন করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১১ সালে মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে ডিজিএফআইতে ফিরে আসেন। এখানে তিনি প্রায় দেড় বছর দায়িত্বে ছিলেন।
সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় শেখ মামুন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) উপাচার্য ছিলেন। পরে অবসরে যাওয়ার আগে তিন তারকা জেনারেল হিসেবে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) দায়িত্ব পালন করেন।
চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৫ সালের মে মাসে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্ত্রীসহ শেখ মামুন খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আদালত। দুদক তখন শেখ মামুনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদ সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিল।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। জলসিঁড়ি আবাসন সংক্রান্ত অনিয়মে তার নাম এসেছ। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে আটক করে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম আটকের তথ্য নিশ্চিত করলেও মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্ক বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এর আগে গত সোমবার রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মানব পাচারের একটি মামলায় বর্তমানে তিনি পুলিশি রিমান্ডে আছেন।
সেনাবাহিনীর সাবেক তিন তারকা জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দুই দিনের মধ্যে আরেক সাবেক তিন তারকা জেনারেলকে আটকের ঘটনা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আলোচিত ‘এক-এগারো’ অধ্যায়ের অন্যতম কুশীলব শেখ মামুন খালেদ। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনার সময় তিনি কুমিল্লায় কর্নেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সিগন্যালস কোরের কর্মকর্তা হিসেবে শেখ মামুন ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ডিজিএফআইতে পরিচালক (এফএসআইবি) হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০০৮ সালের জুনে তিনি ব্রিগেডিয়ার চৌধুরী ফজলুল বারির স্থলাভিষিক্ত হয়ে পরিচালকের (কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর-সিআইবি) দায়িত্ব পালন করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১১ সালে মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে ডিজিএফআইতে ফিরে আসেন। এখানে তিনি প্রায় দেড় বছর দায়িত্বে ছিলেন।
সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় শেখ মামুন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) উপাচার্য ছিলেন। পরে অবসরে যাওয়ার আগে তিন তারকা জেনারেল হিসেবে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) দায়িত্ব পালন করেন।
চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৫ সালের মে মাসে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্ত্রীসহ শেখ মামুন খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আদালত। দুদক তখন শেখ মামুনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও সম্পদ সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছিল।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। জলসিঁড়ি আবাসন সংক্রান্ত অনিয়মে তার নাম এসেছ। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন