রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। পরে তারা কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
শনিবার (২১ মার্চ) হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন। তারা সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি করমর্দন করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন পর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে রাষ্ট্রপ্রধান ঈদগাহে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইউনূস সরকারের মেয়াদকালে জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতিকে নামাজ আদায় করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান করার পর তারেক রহমান সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনিও দীর্ঘদিন পর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করলেন।
সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় ঈদগাহে অভ্যর্থনা জানান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুনশি আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা নামাজে অংশ নেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল মালেক নামাজ পরিচালনা করেন। বাংলাদেশের শান্তি ও অগ্রগতি, জনগণের কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতির কারণে নামাজের মাঠ ও আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা আগে থেকেই দীর্ঘ লাইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে প্রবেশ করেন মুসল্লিরা। ঈদের জামাত শুরুর অনেক আগেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। পরে তারা কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
শনিবার (২১ মার্চ) হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন। তারা সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি করমর্দন করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন পর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে রাষ্ট্রপ্রধান ঈদগাহে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইউনূস সরকারের মেয়াদকালে জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতিকে নামাজ আদায় করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান করার পর তারেক রহমান সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনিও দীর্ঘদিন পর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করলেন।
সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় ঈদগাহে অভ্যর্থনা জানান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুনশি আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা নামাজে অংশ নেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল মালেক নামাজ পরিচালনা করেন। বাংলাদেশের শান্তি ও অগ্রগতি, জনগণের কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতির কারণে নামাজের মাঠ ও আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা আগে থেকেই দীর্ঘ লাইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে প্রবেশ করেন মুসল্লিরা। ঈদের জামাত শুরুর অনেক আগেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন