শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
মিররবাংলা

মুক্তি পেলেন আনিস আলমগীর


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬

মুক্তি পেলেন আনিস আলমগীর
কারামুক্তির পর আনিস আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক আনিস আলমগীর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। 

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার মো. আল মামুন গণমাধ্যমকে আনিস আলমগীরের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইউনূস সরকারের তীব্র সমালোচনা করা আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে 'জিজ্ঞাসাবাদের' জন্য আটক করে। মামলা ছাড়াই ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তখন স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। 

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেয়া হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ১৫ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়। এ মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সাংবাদিক আনিস আলমগীর বেশ কয়েকবার জামিন চেয়ে ব্যর্থ হন। বিপরীতে গত ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আইনী প্রক্রিয়ার মধ্যে গত ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর শনিবার মিলেছে মুক্তি।

বিষয় : কাশিমপুর আনিস আলমগীর কারাগার

আপনার মতামত লিখুন

মিররবাংলা

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


মুক্তি পেলেন আনিস আলমগীর

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

সাংবাদিক আনিস আলমগীর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। 

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার মো. আল মামুন গণমাধ্যমকে আনিস আলমগীরের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইউনূস সরকারের তীব্র সমালোচনা করা আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে 'জিজ্ঞাসাবাদের' জন্য আটক করে। মামলা ছাড়াই ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তখন স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। 

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেয়া হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ১৫ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়। এ মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সাংবাদিক আনিস আলমগীর বেশ কয়েকবার জামিন চেয়ে ব্যর্থ হন। বিপরীতে গত ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আইনী প্রক্রিয়ার মধ্যে গত ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর শনিবার মিলেছে মুক্তি।


মিররবাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিররবাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত