বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফবাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ অন্তত ১৩ জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে রামপাল বেলাইব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
নিহতদের স্বজনরা জানান, মোংলা পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাশেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে–পুত্রবধূ, মেয়েসহ এক পরিবারের ৮জন। মাইক্রোবাসের চালক ও কনে পক্ষের লোকসহ নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৩।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌবাহিনীর বাসটি বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনায় পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুজ্জামান বলেন, নৌবাহিনীর স্টাফবাস খুলনার দিকে যাচ্ছিল। আর যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি ছিল মোংলা অভিমুখে। দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটির বেশি ক্ষতি হয়েছে, ভেতরে থাকা সব যাত্রী হতাহত হয়েছে।
হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত অন্যদের দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ৩জন শিশু, ৩জন নারীসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত কনে মার্জিয়া আক্তার মিতুর মামা আবু তাহের হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মিতুর বিয়ে হয়। এরপর কনে মিতু, তার বোন লামিয়া ও নানীকে নিয়ে বরপক্ষ মাইক্রোবাসে রওনা হয়। দুর্ঘটনায় তাদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফবাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ অন্তত ১৩ জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে রামপাল বেলাইব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
নিহতদের স্বজনরা জানান, মোংলা পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাশেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে–পুত্রবধূ, মেয়েসহ এক পরিবারের ৮জন। মাইক্রোবাসের চালক ও কনে পক্ষের লোকসহ নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৩।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোংলা থেকে ছেড়ে আসা নৌবাহিনীর বাসটি বেলাইব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনায় পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুজ্জামান বলেন, নৌবাহিনীর স্টাফবাস খুলনার দিকে যাচ্ছিল। আর যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি ছিল মোংলা অভিমুখে। দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটির বেশি ক্ষতি হয়েছে, ভেতরে থাকা সব যাত্রী হতাহত হয়েছে।
হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত অন্যদের দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ৩জন শিশু, ৩জন নারীসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত কনে মার্জিয়া আক্তার মিতুর মামা আবু তাহের হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মিতুর বিয়ে হয়। এরপর কনে মিতু, তার বোন লামিয়া ও নানীকে নিয়ে বরপক্ষ মাইক্রোবাসে রওনা হয়। দুর্ঘটনায় তাদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন