রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরর বাংলা

তারেক জিয়ার সরকারে ৬০


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

তারেক জিয়ার সরকারে ৬০
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ৬০ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে তিনি শুরু করেছেন নবযাত্রা।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের শপথ এবং গোপনীয়তার শপথ বাক্য পাঠ করান।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সরকার সাজিয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ সরকারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। সঙ্গে উপদেষ্টা নিয়েছেন ১০ জন।

নতুন সরকারে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইউনূস সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তিনি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ভার। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর হাতে। সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; হাফিজ উদ্দিন আহমদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

নতুন সরকারে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হয়েছেন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তাকে দেওয়া হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভার। সাবেক ফুটবলার মো. আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সরকারে জায়গা পেয়েছেন।

শরিক দলের নেতাদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তারেক রহমান।

মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পেলেন যারা-

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: ইকবাল হাসান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ধর্ম মন্ত্রণালয়: কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ভূমি মন্ত্রণালয়: মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: নিতাই রায় চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: আরিফুল হক চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়: জহির উদ্দিন স্বপন, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়: মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন (টেকনোক্র্যাট), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: আফরোজা খানম (রিতা), পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: আসাদুল হাবিব দুলু, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জাকারিয়া তাহের, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: দীপেন দেওয়ান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়: আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: ফকির মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ মন্ত্রণালয়: শেখ রবিউল আলম।

প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: মো. শরিফুল আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শামা ওবায়েদ ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ভূমি মন্ত্রণালয়: কায়সার কামাল, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: ফরহাদ হোসেন আজাদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়: হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ মন্ত্রণালয়: মো. রাজীব আহসান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: মো. আব্দুল বারী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: মীর শাহে আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ইশরাক হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ফারজানা শারমিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: শেখ ফরিদুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: মো. নুরুল হক নুর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়: ইয়াসের খান চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: এম ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: এম এ মুহিত, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: ববি হাজ্জাজ এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

১০ জন উপদেষ্টা-

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

আর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলাম, জাহেদ উর রহমান, মাহাদি আমিন ও রেহান আসিফ আসাদকে।

বিষয় : তারেক রহমান শপথ প্রধানমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন

মিরর বাংলা

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


তারেক জিয়ার সরকারে ৬০

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ৬০ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে তিনি শুরু করেছেন নবযাত্রা।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের শপথ এবং গোপনীয়তার শপথ বাক্য পাঠ করান।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সরকার সাজিয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এ সরকারের আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। সঙ্গে উপদেষ্টা নিয়েছেন ১০ জন।

নতুন সরকারে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইউনূস সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তিনি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ভার। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর হাতে। সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; হাফিজ উদ্দিন আহমদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

নতুন সরকারে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হয়েছেন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তাকে দেওয়া হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভার। সাবেক ফুটবলার মো. আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সরকারে জায়গা পেয়েছেন।

শরিক দলের নেতাদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তারেক রহমান।

মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পেলেন যারা-

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: ইকবাল হাসান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ধর্ম মন্ত্রণালয়: কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ভূমি মন্ত্রণালয়: মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: নিতাই রায় চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: আরিফুল হক চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়: জহির উদ্দিন স্বপন, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়: মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন (টেকনোক্র্যাট), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: আফরোজা খানম (রিতা), পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: আসাদুল হাবিব দুলু, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জাকারিয়া তাহের, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: দীপেন দেওয়ান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়: আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: ফকির মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ মন্ত্রণালয়: শেখ রবিউল আলম।

প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: মো. শরিফুল আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শামা ওবায়েদ ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ভূমি মন্ত্রণালয়: কায়সার কামাল, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: ফরহাদ হোসেন আজাদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়: হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ মন্ত্রণালয়: মো. রাজীব আহসান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: মো. আব্দুল বারী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: মীর শাহে আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ইশরাক হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ফারজানা শারমিন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: শেখ ফরিদুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: মো. নুরুল হক নুর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়: ইয়াসের খান চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: এম ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: এম এ মুহিত, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: ববি হাজ্জাজ এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

১০ জন উপদেষ্টা-

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

আর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলাম, জাহেদ উর রহমান, মাহাদি আমিন ও রেহান আসিফ আসাদকে।


মিরর বাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিরর বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত