ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে ‘বেশ্যাখানা’ বলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা শামীম আহসানকে দলের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শামীম বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অব্যাহতির পাশাপাশি তার দলীয় সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত শনিবার পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম আহসান। সেখানে তিনি ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
শামীম বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’
শামীমের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যার ফলে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি এক জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে শামীম আহসান বেফাঁস মন্তব্য করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এটি দলটির নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হলো এবং সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : ডাকসু বেশ্যাখানা জামায়াত বরগুনা শামীম আহসান

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে ‘বেশ্যাখানা’ বলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা শামীম আহসানকে দলের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শামীম বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অব্যাহতির পাশাপাশি তার দলীয় সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত শনিবার পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম আহসান। সেখানে তিনি ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
শামীম বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’
শামীমের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যার ফলে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি এক জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে শামীম আহসান বেফাঁস মন্তব্য করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এটি দলটির নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হলো এবং সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন