শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরর বাংলা

‘জীবন্ত জাদুঘরে’ প্রধান উপদেষ্টা


মিরর রিপোর্ট
মিরর রিপোর্ট
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬

‘জীবন্ত জাদুঘরে’ প্রধান উপদেষ্টা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রেস উইং

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পৃথিবীতে বহু জাদুঘর আছে, বহু মিউজিয়াম আছে। তাদের সংস্কৃতির ওপরে আছে, তাদের রাজা-বাদশার কাহিনির ওপরে আছে, তাদের ইতিহাসের আছে। আমাদের মতো জাদুঘর আর কোথাও নাই। এত টাটকা ইতিহাস নিয়ে জাদুঘর আর কোথাও নেই।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন দেখে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ‍্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জীবন্ত একটা জিনিস এই জাদুঘর, যারা এই জাদুঘরের উপজীব্য তারা এখানে আছেন। তাদের কবর এখনও টাটকা, আমরা যে তাদের এক জাদুঘরের মধ্যে আনতে পেরেছি, এটি আমাদের সৌভাগ্য, বিরাট সৌভাগ্য, জাতির সৌভাগ্য। এত টাটকা ইতিহাস নিয়ে জাদুঘর দুনিয়ার কোথাও হয়নি, আশা করি আর হবেও না। রক্ত না শুকাতে জাদুঘর তৈরি হয়ে গেছে, তার প্রতিটি জিনিস যেগুলো দেখছি, এগুলো এখন জীবন্ত। কাহিনিগুলো জীবন্ত।

আপনার মতামত লিখুন

মিরর বাংলা

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


‘জীবন্ত জাদুঘরে’ প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পৃথিবীতে বহু জাদুঘর আছে, বহু মিউজিয়াম আছে। তাদের সংস্কৃতির ওপরে আছে, তাদের রাজা-বাদশার কাহিনির ওপরে আছে, তাদের ইতিহাসের আছে। আমাদের মতো জাদুঘর আর কোথাও নাই। এত টাটকা ইতিহাস নিয়ে জাদুঘর আর কোথাও নেই।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন দেখে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ‍্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জীবন্ত একটা জিনিস এই জাদুঘর, যারা এই জাদুঘরের উপজীব্য তারা এখানে আছেন। তাদের কবর এখনও টাটকা, আমরা যে তাদের এক জাদুঘরের মধ্যে আনতে পেরেছি, এটি আমাদের সৌভাগ্য, বিরাট সৌভাগ্য, জাতির সৌভাগ্য। এত টাটকা ইতিহাস নিয়ে জাদুঘর দুনিয়ার কোথাও হয়নি, আশা করি আর হবেও না। রক্ত না শুকাতে জাদুঘর তৈরি হয়ে গেছে, তার প্রতিটি জিনিস যেগুলো দেখছি, এগুলো এখন জীবন্ত। কাহিনিগুলো জীবন্ত।


মিরর বাংলা

সম্পাদক ও প্রকাশক- মাসুদুল আলম তুষার
কপিরাইট © ২০২৬ মিরর বাংলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত