চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, সরকার যতক্ষণ এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া থেকে সরে না আসবে, ততক্ষণ এ কর্মসূচি চলবে। বন্দরের সর্বস্তরের কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।
কর্মবিরতির ফলে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বন্দরে কার্যত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনটির সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। তাকে গত ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি করা হয়েছে। তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। বন্দর কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ আন্দোলনে জড়িত অন্তত ১৬ জন কর্মচারীকে প্রথমে ঢাকার পানগাঁও আইসিটি ও কমলাপুর আইসিডিতে পরে মন্ত্রণালয় তাদের মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করেছে। যদিও তারা কেউ আন্দোলন ছেড়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি।
চট্টগ্রাম বন্দরে গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে প্রথম তিনদিন প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা করা হয়েছে।
বিষয় : চট্টগ্রাম বন্দর নিউমুরিং কর্মবিরতি

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, সরকার যতক্ষণ এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া থেকে সরে না আসবে, ততক্ষণ এ কর্মসূচি চলবে। বন্দরের সর্বস্তরের কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।
কর্মবিরতির ফলে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বন্দরে কার্যত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনটির সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। তাকে গত ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি করা হয়েছে। তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। বন্দর কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ আন্দোলনে জড়িত অন্তত ১৬ জন কর্মচারীকে প্রথমে ঢাকার পানগাঁও আইসিটি ও কমলাপুর আইসিডিতে পরে মন্ত্রণালয় তাদের মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করেছে। যদিও তারা কেউ আন্দোলন ছেড়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি।
চট্টগ্রাম বন্দরে গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে প্রথম তিনদিন প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন