বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবনশেষে দেশে ফিরেছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে চান। আর সে কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় তিনি ভোটার হচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, তফসিল ঘোষণার পর সাধারণ নিয়মে বা মাঠপর্যায়ে ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকে না। তখন বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের হাতে চলে যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। এ অবস্থায় তারেক রহমানের ভোটার অন্তর্ভূক্তির বিষয়টি এখন পুরোপুরি ইসির নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি এখন কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে ভোটার হবেন, সেটিই দেখার বিষয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারেক রহমানকে ভোটার করতে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে; সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় অ্যারেঞ্জমেন্টও করা আছে।
ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের নির্বাচন। এতে অংশ নিতে আগ্রহীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার শেষ সময় হচ্ছে ২৯ ডিসেম্বর। ইতোমধ্যে বগুড়া-৬ আসনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মনোনয়নপত্র জমার সময় ভোটার পরিচিতিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ভোটার হওয়া বাধ্যবাধকতা রয়েছে; তা দেশের যে কোনো নির্বাচনি এলাকার ভোটার হলেই চলবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারেক রহমান ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হবেন।
তারেক রহমানের ভোটার হওয়া প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, 'নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনীয় অ্যারেঞ্জমেন্ট করা আছে। তিনি ভোটার হওয়ার পর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো জটিলতা থাকবে না।'
'তবে তিনি গুলশানের বাসায় ভোটার হবেন, নাকি নির্বাচন অফিসে ভোটার হবেন এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।'
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের বাসায় ভোটার হয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনিও তফসিল ঘোষণার পর শেষ মুহূর্তে ভোটার হন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারেক রহমানও বাসায় থেকেই ভোটার হতে পারেন।

রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবনশেষে দেশে ফিরেছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে চান। আর সে কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় তিনি ভোটার হচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, তফসিল ঘোষণার পর সাধারণ নিয়মে বা মাঠপর্যায়ে ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকে না। তখন বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের হাতে চলে যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। এ অবস্থায় তারেক রহমানের ভোটার অন্তর্ভূক্তির বিষয়টি এখন পুরোপুরি ইসির নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি এখন কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে ভোটার হবেন, সেটিই দেখার বিষয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারেক রহমানকে ভোটার করতে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে; সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় অ্যারেঞ্জমেন্টও করা আছে।
ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের নির্বাচন। এতে অংশ নিতে আগ্রহীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার শেষ সময় হচ্ছে ২৯ ডিসেম্বর। ইতোমধ্যে বগুড়া-৬ আসনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মনোনয়নপত্র জমার সময় ভোটার পরিচিতিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ভোটার হওয়া বাধ্যবাধকতা রয়েছে; তা দেশের যে কোনো নির্বাচনি এলাকার ভোটার হলেই চলবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারেক রহমান ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হবেন।
তারেক রহমানের ভোটার হওয়া প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, 'নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনীয় অ্যারেঞ্জমেন্ট করা আছে। তিনি ভোটার হওয়ার পর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো জটিলতা থাকবে না।'
'তবে তিনি গুলশানের বাসায় ভোটার হবেন, নাকি নির্বাচন অফিসে ভোটার হবেন এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।'
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের বাসায় ভোটার হয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনিও তফসিল ঘোষণার পর শেষ মুহূর্তে ভোটার হন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারেক রহমানও বাসায় থেকেই ভোটার হতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন