বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের সামনের সময়গুলো ভালো নয়, কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, বিভিন্নভাবে বিভিন্নরকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
বিএনপি’র ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রবিবার বিকেলে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমি গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় থেকে বলে আসছি আমাদের সামনের সময়গুলো কিন্তু খুব ভালো নয়, সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। বিভিন্নভাবে বিভিন্নরকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে পারে এই দেশের জনগণ এবং এই ষড়যন্ত্র জনগণকে সাথে নিয়ে রুখে দিতে পারে বিএনপি।
তারেক রহমান বলেন, আজকে আমরা দেশ গড়ার পরিকল্পনা করছি। এই কাজটি যদি আমাদের সফল করতে হয়, দেশকে যদি সামনে নিয়ে যেতে হয়, মানুষকে যদি তার অবস্থান পরিবর্তন করে ভালো অবস্থানে নিতে হয়, তাহলে আমাদের সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে তীব্র সমালোচনা করেন তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, কিছু কিছু মানুষ বা কোনো কোনো গোষ্ঠী ইদানিং বলতে শুনেছি বা বিভিন্ন জায়গায় কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে যে অমুককে দেখলাম, তমুককে দেখলাম, তমুককে দেখলাম, এবার অমুককে দেখুন। যাদের কথা বলে অমুককে দেখুন, তাদেরকে তো দেশের মানুষ ১৯৭১ সালেই দেখেছে। ১৯৭১ সালে তারা তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে কিভাবে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে। ঠিক যেভাবে পতিত স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে হাজারো হাজারো মানুষকে হত্যা করেছিল ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য। যাদেরকে কেউ কেউ বলে যে একবার দেখুন না, তাদেরকে দেশের মানুষ ৭১ সালেই দেখেছে, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার্থে লাখ লাখ মানুষকে শুধু হত্যাই করেনি তাদের সহকর্মীরা কিভাবে মা-বোনদের ইজ্জত পর্যন্ত লুট করেছিল। এই কথাটি আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, অর্থাৎ দোযোগ, বেহেশত দুনিয়ার সবকিছুর মালিক আল্লাহ। যেটার মালিক আল্লাহ। যেটার কথা একমাত্র আল্লাহ তালাই বলতে পারে। সেখানে যদি আমি কিছু বলতে চাই, আমার নরমাল দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বুঝি যে, সেটি হচ্ছে শিরিক। সেটি হচ্ছে শিরিকের পর্যায়ে পড়ে। কাজেই তোমাদেরকে ঘরে ঘরে যেতে হবে এবং বলতে হবে যারা এসব কথা বলে তারা শিরিক করছে। আপনি যদি তাদের কথা শুনেন, আপনিও শিরিকের পর্যায়ে পড়ে যাবেন। যার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআালার, সেটি একমাত্র আল্লাহর অধিকার।
তিনি বলেন, কে কোথায় যাবে? কার ইহকালে কি হবে, পরকালে কি হবে, তা ডিসাইড করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। আমরা পৃথিবীতে মানুষ হিসাবে মানুষের দেখভাল, যতটুকু সম্ভব আমাদের দৃষ্টি থেকে আমরা করতে পারব। আমাদের শক্তি সামর্থ্য অনুযায়ী করতে পারবো। আমরা এ কালেরটা করতে পারবো। এ কালেরটা কম বেশি আমরা মানুষ হিসেবে যা আমাদেরকে ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছে, তার ভেতরে করতে পারব। যা ক্ষমতার বাইরে তা আমরা করতে পারবো না। কাজেই যারা এসব কথা বলে, তারা ইনেবে শিরিক করছে। একজন মুসলমান হিসেবে আমি সেটাই বুঝি। এই কথাগুলো তোমাদেরকে পৌঁছে দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের সামনের সময়গুলো ভালো নয়, কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, বিভিন্নভাবে বিভিন্নরকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
বিএনপি’র ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রবিবার বিকেলে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমি গত প্রায় এক বছরের বেশি সময় থেকে বলে আসছি আমাদের সামনের সময়গুলো কিন্তু খুব ভালো নয়, সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। বিভিন্নভাবে বিভিন্নরকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে পারে এই দেশের জনগণ এবং এই ষড়যন্ত্র জনগণকে সাথে নিয়ে রুখে দিতে পারে বিএনপি।
তারেক রহমান বলেন, আজকে আমরা দেশ গড়ার পরিকল্পনা করছি। এই কাজটি যদি আমাদের সফল করতে হয়, দেশকে যদি সামনে নিয়ে যেতে হয়, মানুষকে যদি তার অবস্থান পরিবর্তন করে ভালো অবস্থানে নিতে হয়, তাহলে আমাদের সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে তীব্র সমালোচনা করেন তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, কিছু কিছু মানুষ বা কোনো কোনো গোষ্ঠী ইদানিং বলতে শুনেছি বা বিভিন্ন জায়গায় কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে যে অমুককে দেখলাম, তমুককে দেখলাম, তমুককে দেখলাম, এবার অমুককে দেখুন। যাদের কথা বলে অমুককে দেখুন, তাদেরকে তো দেশের মানুষ ১৯৭১ সালেই দেখেছে। ১৯৭১ সালে তারা তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে কিভাবে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে। ঠিক যেভাবে পতিত স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে হাজারো হাজারো মানুষকে হত্যা করেছিল ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য। যাদেরকে কেউ কেউ বলে যে একবার দেখুন না, তাদেরকে দেশের মানুষ ৭১ সালেই দেখেছে, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার্থে লাখ লাখ মানুষকে শুধু হত্যাই করেনি তাদের সহকর্মীরা কিভাবে মা-বোনদের ইজ্জত পর্যন্ত লুট করেছিল। এই কথাটি আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, অর্থাৎ দোযোগ, বেহেশত দুনিয়ার সবকিছুর মালিক আল্লাহ। যেটার মালিক আল্লাহ। যেটার কথা একমাত্র আল্লাহ তালাই বলতে পারে। সেখানে যদি আমি কিছু বলতে চাই, আমার নরমাল দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বুঝি যে, সেটি হচ্ছে শিরিক। সেটি হচ্ছে শিরিকের পর্যায়ে পড়ে। কাজেই তোমাদেরকে ঘরে ঘরে যেতে হবে এবং বলতে হবে যারা এসব কথা বলে তারা শিরিক করছে। আপনি যদি তাদের কথা শুনেন, আপনিও শিরিকের পর্যায়ে পড়ে যাবেন। যার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআালার, সেটি একমাত্র আল্লাহর অধিকার।
তিনি বলেন, কে কোথায় যাবে? কার ইহকালে কি হবে, পরকালে কি হবে, তা ডিসাইড করার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। আমরা পৃথিবীতে মানুষ হিসাবে মানুষের দেখভাল, যতটুকু সম্ভব আমাদের দৃষ্টি থেকে আমরা করতে পারব। আমাদের শক্তি সামর্থ্য অনুযায়ী করতে পারবো। আমরা এ কালেরটা করতে পারবো। এ কালেরটা কম বেশি আমরা মানুষ হিসেবে যা আমাদেরকে ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছে, তার ভেতরে করতে পারব। যা ক্ষমতার বাইরে তা আমরা করতে পারবো না। কাজেই যারা এসব কথা বলে, তারা ইনেবে শিরিক করছে। একজন মুসলমান হিসেবে আমি সেটাই বুঝি। এই কথাগুলো তোমাদেরকে পৌঁছে দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন