রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২–এর কাছে দুটি এস্কেভেটর নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙতে সোমবার সকালে ফের এসেছিল একদল বিক্ষোভকারী। তবে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ধাওয়ায় তারা ওই বাড়িতে ঢুকতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় পড়া হচ্ছিল ঠিক সে সময়েই সোমবার সকালে ধানমন্ডির সড়কে দুটি এস্কেভেটর নিয়ে ঢুকতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। পুলিশ আগেই ভবনের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকশ বিক্ষোভকারী একটি মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২–এর কাছে জড়ো হতে শুরু করে। তারা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকে—দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা!, বত্রিশ না ছত্রিশ? ছত্রিশ, ছত্রিশ!, দালালি না মুক্তি? মুক্তি, মুক্তি!, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া দেয়। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সাঈদ নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, 'আজ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় হবে। আমরা আশা করছি সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। আমরা এখানে এসেছি ফ্যাসিস্ট হাসিনার অবশিষ্ট চিহ্নগুলো মুছে ফেলতে।'
এর আগে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে একইভাবে বিক্ষোভকারীরা এস্কেভেটর ও বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে ভবনটির কিছু অংশ ভেঙে ফেলেছিল। তখন 'বুলডোজার মার্চ' নামে একটি ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করে প্রচারণা চালানো হয়। তখন তারা সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতেই ধানমন্ডি ৩২–এ ঢুকে ভবনটি ভাঙচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিষয় : ধানমন্ডি ৩২

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২–এর কাছে দুটি এস্কেভেটর নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙতে সোমবার সকালে ফের এসেছিল একদল বিক্ষোভকারী। তবে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ধাওয়ায় তারা ওই বাড়িতে ঢুকতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় পড়া হচ্ছিল ঠিক সে সময়েই সোমবার সকালে ধানমন্ডির সড়কে দুটি এস্কেভেটর নিয়ে ঢুকতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। পুলিশ আগেই ভবনের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকশ বিক্ষোভকারী একটি মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২–এর কাছে জড়ো হতে শুরু করে। তারা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকে—দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা, ঢাকা!, বত্রিশ না ছত্রিশ? ছত্রিশ, ছত্রিশ!, দালালি না মুক্তি? মুক্তি, মুক্তি!, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া দেয়। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সাঈদ নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, 'আজ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় হবে। আমরা আশা করছি সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। আমরা এখানে এসেছি ফ্যাসিস্ট হাসিনার অবশিষ্ট চিহ্নগুলো মুছে ফেলতে।'
এর আগে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে একইভাবে বিক্ষোভকারীরা এস্কেভেটর ও বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে ভবনটির কিছু অংশ ভেঙে ফেলেছিল। তখন 'বুলডোজার মার্চ' নামে একটি ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করে প্রচারণা চালানো হয়। তখন তারা সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতেই ধানমন্ডি ৩২–এ ঢুকে ভবনটি ভাঙচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়।

আপনার মতামত লিখুন