সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আলোচিত ‘এক-এগারো’ অধ্যায়ের অন্যতম কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন। তিনি ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির এমডি। এই প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও মানবপাচার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে তোলা হয়। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, 'মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মানব পাচার ছাড়াও প্রতারণা, চাঁদাবাজি, হত্যাসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। এছাড়া ফেনীতে দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।' সোমবার রাতে ডিবির একটি দল রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৮ সালে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বেই তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের ওপর নির্যাতন চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ছিলেন না। তিনি দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন।