বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা করা হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে অনুসারে আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।
চাঁদ দেখা কমিটির সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার রাতে তারাবিহর নামাজ পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা; আর ভোররাতে সাহ্রি খেয়ে সিয়াম পালন বা রোজা রাখার নিয়ত করেন।
এদিকে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারাবিহ নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের ভিন্নতা থাকার রেওয়াজ নিরসনকল্পে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রমজান মাসে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসলমানরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে এই একটি মাস আত্মশুদ্ধির সাধনায় নিবেদিত থাকবেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখার পাশাপাশি সাধ্যমতো দান-খয়রাত, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং বেশি বেশি নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে এই রমজান মাস অতিবাহিত করবেন।

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা করা হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে অনুসারে আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।
চাঁদ দেখা কমিটির সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার রাতে তারাবিহর নামাজ পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা; আর ভোররাতে সাহ্রি খেয়ে সিয়াম পালন বা রোজা রাখার নিয়ত করেন।
এদিকে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারাবিহ নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের ভিন্নতা থাকার রেওয়াজ নিরসনকল্পে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রমজান মাসে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসলমানরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে এই একটি মাস আত্মশুদ্ধির সাধনায় নিবেদিত থাকবেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখার পাশাপাশি সাধ্যমতো দান-খয়রাত, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং বেশি বেশি নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে এই রমজান মাস অতিবাহিত করবেন।

আপনার মতামত লিখুন