সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, নির্বাচন না হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নিয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন এবং পুলিশসহ সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী, সবাই সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই, আর তা হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিভিন্ন মাধ্যমে ‘অর্থ লেনদেন’ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অবৈধ মানি ট্রানজেকশন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এ ধরনের কার্যক্রম ঠেকাতে নজরদারি অনেক গুণ জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় কিছু দুর্বৃত্ত থাকতে পারে যারা ব্যালট ছিনতাই, কারচুপি বা ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই ধরনের অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক আটক অথবা মামলাসহ আইন অনুযায়ী যা প্রযোজ্য, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিষয় : সেনাপ্রধান নির্বাচন সেনাবাহিনী

শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, নির্বাচন না হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নিয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন এবং পুলিশসহ সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী, সবাই সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই, আর তা হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিভিন্ন মাধ্যমে ‘অর্থ লেনদেন’ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অবৈধ মানি ট্রানজেকশন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এ ধরনের কার্যক্রম ঠেকাতে নজরদারি অনেক গুণ জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় কিছু দুর্বৃত্ত থাকতে পারে যারা ব্যালট ছিনতাই, কারচুপি বা ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই ধরনের অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক আটক অথবা মামলাসহ আইন অনুযায়ী যা প্রযোজ্য, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন