যে কারণে নিষিদ্ধ ক্রিকেটার নাসির

0
53

আবুধাবি টি-টেন লিগে দুর্নীতির দায়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে দুই বছর সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি। এর মধ্যে ছয় মাসের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
আবুধাবির টি-টেন লিগে খেলতে গিয়ে আইসিসির সন্দেহে আসেন নাসির। আইসিসির নীতিমালার ২.৪.৩, ২.৪.৪ এবং ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গ করেছেন তিনি। ২০২১ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগ খেলতে গিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির থেকে উপহার নিয়েছিলেন নাসির। ৭৫০ ডলারের বেশি অর্থমূল্যের সেই উপহার নেয়ার যৌক্তিক কারণ প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি। এরপর মোট ৩টি ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করে আইসিসি। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই শাস্তির ঘোষণা করা হয়।
২০১১ থেকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে ১১৫টি ম্যাচ খেলেছেন নাসির। যেখানে ২৬৯৫ রানের পাশাপাশি ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। সব শর্তগুলো পূরণ করতে পারলে নাসির ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্য যোগ্য হবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতি বিরোধী তিনটি ধারা ভঙ্গ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলা এই ক্রিকেটার। তিনি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন। যার অর্থ এরই মধ্যে প্রায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি।
এছাড়া ছয় মাসের স্থগিত নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বা নিষেধাজ্ঞা শেষের পরবর্তী সময়ে নতুন করে আকসুর কোন ধারা ভঙ্গ করলে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। নাসির ২০২১ সালে পুনে ডেভিলসের হয়ে আরব আমিরাতের টি-১০ লিগ খেলার সময় ইসিবির এই ধারা ভঙ্গ করেছেন।
তার বিরুদ্ধে যে তিনটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো ইসিবির ২.৪.৩ ধারায় তিনি দুর্নীতি তদন্তের (আকসু) দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে অন্তত ৭৫০ ইউএস ডলারের উপহার নেওয়ার বিষয়টি জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
২.৪.৪ ধারায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ হলো, তিনি আইফোন-১২ উপহার হিসেবে নিয়েছেনা যা তদন্তের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিতে জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া ২.৪.৬ ধারায় তিনি তদন্তের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিতে সহযোগিতা করেননি এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।
আইসিসি তাদের বার্তায় জানিয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং সাজা মেনে নিতে সম্মত হয়েছেন। সেজন্য নতুন করে শুনানির দরকার পড়েনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here