Notice :
আমাদের নিউজ সাইট এ আপনার প্রতিষ্ঠান এর বিজ্ঞাপন দিন আর প্রতিষ্ঠান কে পরিচিত করে তুলুন বিশ্বব্যাপি।
সংবাদ শিরোনামঃ
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আদালতে লিয়াকত জাতীয় পত্রিকা “বিশ্ব মিডিয়া”তে কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খাঁন কুউপ সদস্যদের জন্য বিশেষ ছাড় দিবেন স্মার্ট টেকনোলজি ইবির ভিসি বানানোর টেন্ডার : টাকার বস্তা নিয়ে আরেফিন এবারো মাঠে স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক সফল কারিগর হারুন-উর-রশিদ আসকারী ড্রাগন চাষ করে সফলতার দ্বারপ্রান্তে মিরপুরের আসাদ ভেড়ামারায় সিরাজুল ইসলাম শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কুষ্টিয়ায় ব্রি উদ্ভাবিত মৌসুমের আধুনিক ধানের জাতের উপর মাঠ দিবস হাতি সাঁকোর জলাবদ্ধতায় আটকে গেছে জনজীবন! কুষ্টিয়ায় ব্রি ধান৮৫ এর প্রদর্শণীর উপর মাঠ দিবস
ছয় হাজার শিশুর সফল হার্ট সার্জারি করলেন ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রাপ্ত সিলেটের ডা. ফাতেমা

ছয় হাজার শিশুর সফল হার্ট সার্জারি করলেন ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রাপ্ত সিলেটের ডা. ফাতেমা

নবজাতক শিশুর হৃদরোগ, হৃৎপিণ্ড এবং রক্তবাহক সম্পর্কিত রোগ বিশেষজ্ঞ ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রাপ্ত সিলেটের অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নুরুন নাহার ফাতেমা। তিনি দেশের প্রথম পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট। তার জন্ম মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামে।

সম্প্রতি ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল প্রশাসনিক ভবনে সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন নাহার ফাতেমা জানালেন, যে ‘স্বাধীনতা পদক’ তিনি পেয়েছেন, তার জন্য শোকরিয়া আদায় করেছেন। মানুষের ভালোবাসা তার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। শিশুর জন্মগত হৃদরোগ সারিয়ে তোলার পর যে আনন্দ পান, তা সব আনন্দের চেয়ে বহুগুণ বড়। এ পেশা শুরুর পর বিদেশের মাটিতে প্রশিক্ষণরত থাকার সময় কঠিন এক মুহূর্ত পাড় করেছেন তিনি। শারীরিক অসুস্থতায় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকাসহ বহুদিন আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন।

১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। তিনি দেশের প্রথম পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট। তার স্বামী কর্নেল (অব.) আজহারউদ্দিন আহমেদ। জন্ম সিলেট জেলার মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামে। ডা. ফাতেমা জানান, এ পর্যন্ত কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই ৬ হাজারেরও বেশি শিশুর জটিল হৃদরোগের চিকিৎসা দিয়েছেন তিনি।

১৯৯৭-৯৮ সালে সৌদি আরবের কিং সুলতান হাসপাতালে বিভিন্ন বিদেশি চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তিনি শিশু হৃদরোগ চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেন। পরে দেশে ফিরে এসে ১৯৯৮ সালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিশু হৃদরোগ বিভাগ, যা দেশের প্রথম শিশু হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র।

২০০০ সালে পুরান ঢাকার একজন ব্যবসায়ী দুই দিনের শিশুকে নিয়ে আসেন ডা. ফাতেমার কাছে। ওই সময় তিনি চেম্বার করছিলেন। শিশুটিকে দেখে তিনি তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন চরম হৃদরোগে ভুগছে শিশুটি। শিশুটির সারা শরীর নীল হয়ে গেছে। রক্তনালির সমস্যায় ভুগছিল শিশুটি। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় শিশুটির হার্টে ছিদ্র করে দেন তিনি।

এতে বেঁচে যায় শিশুটি। তিনি শিশুটির নাম শতাব্দী রেখেছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সন্তানের হার্টের একটি রক্তনালি ছিল না। শিশুটির মাত্র ২ দিন বয়স ছিল। তার চিকিৎসা করেন তিনি। এভাবে শত শত শিশুর প্রাণ বাঁচিয়েছেন এ চিকিৎসক।

ডা. ফাতেমা জানান, শিশু হৃদরোগের লক্ষণগুলো প্রতিটি পরিবারের সদস্যেরই জানা দরকার। নবজাতক নীল হয়ে গেছে, শ্বাসকষ্ট শুরু হলে এবং অল্প বেস্ট ফিডিং করার পরই হাঁপিয়ে গেলে তাকে দ্রুত শিশুরোগ বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, দেশে প্রতি হাজারে ২৫টি শিশু জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্মায়। উন্নত বিশ্বে প্রতি হাজারে হৃদরোগ নিয়ে জন্মানো শিশুর সংখ্যা ৮-১০ জন। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, একসময় শিশুর মা-বাবা, আত্মীয়স্বজনকে বিশ্বাস করানোই যেত না শিশুর হৃদরোগ হতে পারে। ছোট্ট একটা হৃদপিণ্ডে আবার কিসের ‘হৃদরোগ’।

ডা. ফাতেমার স্বপ্ন অনেক বড়। দেশের মাটিতে শিশুদের চিকিৎসায় একটি বিশেষায়িত জাতীয় কার্ডিয়াক হাসপাতাল তৈরি করতে চান। যেখানে এসব রোগীর যথাযথ চিকিৎসা করানো সম্ভব হবে। যেখানে অসচ্ছল মা-বাবার সন্তানরা বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে পারবে। তার দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে মার্জিয়া তাবাসসুম ইঞ্জিনিয়ার। বর্তমানে লন্ডনে সফল একজন ব্যাংকার হিসেবে চাকরি করছেন। ছোট মেয়ে মাশিয়া মাইশা আহমদ। মেডিসিনের ওপর ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছেন।ডা. ফাতেমার স্বপ্ন অনেক বড়। দেশের মাটিতে শিশুদের চিকিৎসায় একটি বিশেষায়িত জাতীয় কার্ডিয়াক হাসপাতাল তৈরি করতে চান।

যেখানে এসব রোগীর যথাযথ চিকিৎসা করানো সম্ভব হবে। যেখানে অসচ্ছল মা-বাবার সন্তানরা বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে পারবে। তার দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে মার্জিয়া তাবাসসুম ইঞ্জিনিয়ার। বর্তমানে লন্ডনে সফল একজন ব্যাংকার হিসেবে চাকরি করছেন। ছোট মেয়ে মাশিয়া মাইশা আহমদ। মেডিসিনের ওপর ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছেন।

jrmnew. Com

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

ফটো গ্যালারি

CLICK HERE FOR ADVERTISE এখানে বিজ্ঞাপন দিন Order Now: +8801714097008
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০