যে সরকারি প্রতিষ্ঠানে পালিত হয় না কোনও জাতীয় দিবস!

0
86

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় স্থাপিত ‘সান্তাহার খাদ্যশস্য সাইলো’ সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও এখানে কোনও জাতীয় দিবস পালন করা হয় না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তারা অধিকক্ষ বা তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিনটেন্ডেন্ট) ও তার লোকজনের  ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ করে জানান, ‘সান্তাহার খাদ্যশস্য সাইলো’তে যারা অধিকক্ষ হিসেবে আসেন তারা সবসময় স্বৈরাচারী ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ করে থাকেন। কখনও স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, শহীদ দিবসের মতো কোনও জাতীয় কোনও দিবসও সেখানে উদযাপন করা হয় না। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করায় গত শনিবার সরকারিভাবে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বগুড়ার সব প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পালন করা হলেও উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ খাদ্যশস্য সংরক্ষণাগার ‘সান্তাহার খাদ্যশস্য সাইলো’তে তা পালন করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ কর্মসূচিতে যোগ দিতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করেন। এতে স্বাধীনতার পক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাইলোর অধিকক্ষ ইলিয়াস হোসেন জানান, জাতীয় দিবসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়ে থাকে। আর যে কোনও অনুষ্ঠান আদমদীঘি উপজেলা প্রশাসন করে থাকে।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সংক্রান্ত সরকারি কর্মসূচির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে কোনও চিঠি পাইনি। এছাড়া শনিবার ছুটির দিন থাকায় কর্মসূচিটি পালন করা সম্ভব হয়নি।’

আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ‘সরকারি দিবস পালনে সরকারের সব দফতরের সচিব ও মহাপরিচালককে কেবিনেট সচিবের দফতর থেকে নির্দেশনা সংক্রান্ত পত্র দেওয়া হয়। এছাড়া সরকার ঘোষিত দিবসগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু সান্তাহার খাদ্যশস্য সাইলো কর্তৃপক্ষ কেন দিবসগুলো উদযাপন করে না তা বুঝি না।’

তিনি আরও জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY