মালয়েশিয়া যাচ্ছেন ৯ হাজার কর্মী

0
199

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে ৯ হাজার কর্মী যাচ্ছেন মালয়েশিয়া। এরই মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে এসব শ্রমিকের সত্যায়িত চাহিদাপত্র পাওয়া গেছে। জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিস’র (বায়রা) মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন একথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, এরমধ্যে প্লানটেশন, ফ্যাক্টরি ও সার্ভিস সেক্টরের জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো থেকে নিয়োগের অনুমতিও পাওয়া গেছে। তিনি জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে ২০০ কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়। বিষয়টি এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকারের চাহিদাপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অনুকূলে যে চাহিদাপত্র ইস্যু হয়েছে তাতে তিন বছর কাজের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কর্মীরা টানা ১০ বছর পর্যন্ত চাকরির পারমিট নবায়ণ করতে পারবেন। কর্মীদের দৈনিক কর্মঘণ্টা হবে ৮ ঘণ্টা। কেউ চাইলে ওভারটাইম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সরকারের শ্রম আইন প্রযোজ্য হবে। কর্মীদের মাসিক বেতন চুক্তিপত্রে যা উল্লেখ থাকবে তাই দেওয়া হবে। এর কম হবে না। কর্মীদের বেতন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। কোন কোম্পানি যদি কর্মীদের বেতন-ভাতা কম দিতে চায়, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা চলে যাবে দুই দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে। বায়রার মহাসচিব জানান, তিন দফায় আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে প্রায় ৫০০ কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ রেখে উভয় দেশের মধ্যে ‘জিটুজি প্লাস’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির পরের দিনই মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী নেওয়া বন্ধ ঘোষণা করে। কয়েক মাস আগে বিদেশি কর্মী না নেওয়ার ঘোষণা প্রত্যাহারের পর জিটুজি প্লাস চুক্তির আলোকে কর্মী নিয়োগের বিষয়টি ফের সামনে চলে আসে। প্লান্টেশন, এগ্রিকালচার, ম্যানুফাকচারিং, কনস্ট্রাকশনসহ মোট পাঁচটি খাতে বিপুলসংখ্যক কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দেয় মালয়েশিয়া সরকার। খবর বাসস।

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY