ডাক্তারের দাঁত ভাঙ্গা লেখা জবাব!

0
254

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: হাতের লেখা সুন্দর হলে পরীক্ষাতে অধিক নম্বর পাওয়া যায়, প্রচলিত এই ধারণাটি যে সব ক্ষেত্রে ঠিক নয় সেটি সম্প্রতি ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন লেখা সংক্রান্ত একটি নির্দেশনায় প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের সময়ে যারা পরীক্ষাতে অধিক নম্বর পেয়েছেন তাদের অধিকাংশই ডাক্তারি পড়েছিল। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট রায় দিলো ডাক্তারদের পরিচ্ছন্ন করে প্রেসক্রিপশন লিখতে হবে, লেখা স্পষ্ট হতে হবে। তাহলে ছোটবেলার সেই প্রবাদটি তো ভুল প্রমাণিত হয়ে যায়! এই ভালো শিক্ষার্থীরা অস্পষ্ট লেখা নিয়ে অধিক নম্বর কিভাবে পেত সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বড়ই মুশকিল হবে। তবে একথা মেনে নেওয়াও অযৌক্তিক হবে যে হাতের লেখা সুন্দর হলেই সুচিকিৎসা নিশ্চিত হয়ে যাবে। চিকিৎসা ব্যবস্থায় নাগরিকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আরও কিছু নীতিমালা/ পদ্ধতির পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। শুধু অস্পষ্ট হাতের লেখার প্রেসক্রিপশনই নয়, ভুল চিকিৎসা প্রদান, অহেতুক ওষুধের ব্যবস্থাপত্র প্রদান, প্রয়োজনের অতিরিক্ত টেস্ট দেওয়া, অপ্রয়োজনে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া, মৃত্যুর পরও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জন্য আইসিইউতে রেখে দেওয়ার অভিযোগও নতুন নয়। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত রয়্যাল লন্ডন হাসপাতালের সুনাম বিশ্বব্যাপী। এই হাসপাতালটিতে সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সহ সকল প্রকার সুবিধা থাকার পরও গত সপ্তাহে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ২০ মাস বয়সী শিশুকে ভুল চিকিৎসা প্রদান ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ শুধু বাংলাদেশেই নয়, ইংল্যান্ডের মতো উন্নত দেশে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি থাকার পরও, ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভুল চিকিৎসা দিয়েছে ও দায়িত্বে অবহেলা করেছে। তাহলে বাংলাদেশে ডাক্তাররা বেশি ওষুধ দিলে, চিকিৎসা ভুল করলে আমরা এতো বেশি ক্ষেপে যাই কেন? বাংলাদেশি যে পরিবারটি ভুল চিকিৎসার জন্য রয়্যাল লন্ডন হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেন এবং প্রচণ্ড ধৈর্য্য নিয়ে তিন বছর আইনি লড়াই করে গেলেন তার জন্য রাষ্ট্রের চিকিৎসা ব্যবস্থাই সেই প্রক্রিয়াটি করে রেখেছে। প্রত্যেক নাগরিক যাতে ন্যায় বিচার পায় সেটি আইন দ্বারাই সুরক্ষিত করা আছে। ইংল্যান্ডে রোগীকে কোনও ডাক্তার যখন দেখেন তখন প্রত্যেক ডাক্তারকে সংশ্লিষ্ট রোগীর রোগের বিবরণ বা কেইস হিস্ট্রি বাধ্যতামূলক ভাবে লিপিবদ্ধ করতে হয়। পরবর্তীতে অন্য কোনও ডাক্তার বা গবেষক সংশ্লিষ্ট রোগীর যাবতীয় তথ্য থেকে রোগীর বৃত্তান্ত জানতে পারেন। কেউ যদি চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন সেক্ষেত্রেও রোগীর অকাল মৃত্যু হলে ডাক্তারদের লিখিত সেই নোট অনুসন্ধান করে রিপোর্ট করতে সহজ হয়। তৌফিকুল করিম সুহৃদের সন্তানের ক্ষেত্রে ভুল চিকিৎসা দেওয়া ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে ডাক্তারদের লিপিবদ্ধ করা রেকর্ড অনুসন্ধান করে। শুরুতে কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেনি তারা ভুল চিকিৎসা দিয়েছে। সুহৃদ-ন্যান্সি দম্পতি ইংল্যান্ডের হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার রেগুলেটরি বডি ‘কেয়ার কোয়ালিটি  কমিশন’-এ অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি। কেয়ার কোয়ালিটি কমিশন বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ায় আইনি লড়াইয়ে যান শিশুটির বাবা। তিন বছর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কেয়ার কোয়ালিটি কমিশন তাদের দোষ স্বীকার করতে বাধ্য হয়। ফিরে আসি বাংলাদেশে।  আদালত থেকে ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন পরিচ্ছন্ন অক্ষরে ও ক্যাপিটাল লেটারে লেখার নির্দেশনা দেওয়ার পর ফেসবুকে একটি প্রেসক্রিপশন ভাইরাল হয়েছে। ফরিদপুরের স্থানীয় এক ডাক্তার ৫২ বছর বয়সী একজন রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন যেখানে ওষুধের তালিকা কম করে হলেও ২৫ টি হবে। এখন প্রশ্ন হলো কোনও রোগী বা তার পরিবারের সদস্যদের ভুল চিকিৎসা, অতিরিক্ত ওষুধ কিংবা বাড়তি মেডিক্যাল টেস্টের প্রয়োজনীয়তা চ্যালেঞ্জ করার কোনও সুযোগ কি বাংলাদেশে রয়েছে, থাকলেও সেটি কতটুকু কার্যকর? বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল নামে একটি নিরপেক্ষ বডি রয়েছে বাংলাদেশে। এই কাউন্সিলের কাছে যদি কেউ আবেদন করেন তাহলে সংশ্লিষ্ট  ডাক্তার কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ করা হলে কাউন্সিল কিসের ভিত্তিতে তদন্ত করবে? বাংলাদেশে কোনও রোগীর মেডিক্যাল হিস্ট্রি রাখা হয় না! ডাক্তার কখন আসলেন, কী চিকিৎসা দিলেন , কোন দিন কোন ডাক্তার চিকিৎসা দিয়েছেন, কোন নার্স দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন পুরো প্রক্রিয়ার তথ্য লিপিবদ্ধ করা না থাকলে তদন্তের অশ্বডিম্ব প্রকাশ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের কাউন্সিলর প্রফেসর ডা. এম এইচ মিল্লাত এমপি, দীর্ঘদিন ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে সিনিয়র স্পেশালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার মিনিস্ট্রির স্ট্যান্ডিং কমিটিরও সদস্য তিনি। কিছুদিন আগে তিনি লন্ডনে আমার একটি টকশোতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডাক্তার মিল্লাতের সঙ্গে দীর্ঘসময় বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার এই বেহাল দশা নিয়ে কথা হয়। তিনি বলছিলেন, আমাদের দেশে রোগীরা কোনও অভিযোগ করেন না। এযাবৎ কালে শুধু ৮০’র দশকে একটি অভিযোগ নিস্পত্তির নজির আছে বাংলাদেশে। সেই সময়ে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছিলো কাউন্সিল। কিন্তু গত ৩৫ বছরে ডাক্তার কিংবা হাসপাতালের বিরুদ্ধে  ভুল চিকিৎসা কিংবা দায়িত্বে অবহেলার নজির নেই! এর প্রধান কারণ ভিকটিমরা অভিযোগ করেন না, দীর্ঘ সময় ধৈর্য্য ধরে ন্যায় বিচারের জন্য অপেক্ষা না করে হাসপাতাল কিংবা ডাক্তারের চেম্বার ভাঙচুর করেই তারা বাড়ি ফিরে যান। মুদ্রার অপর পিঠের চিত্রটিও আমাদের ভাবতে হবে। হয়ত বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের কার্যকারিতা নেই বলেই ভূক্তভোগীরা এখন আর প্রতিকার চেয়ে কাউন্সিলে অভিযোগ করেন না। তাই বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে কার্যকর ও শক্তিশালী করে সাধারণ নাগরিকের আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে হবে।  ডা. মিল্লাতের কাছে জানতে চাইলাম, তিনি ইংল্যান্ডে কাজ করে গেছেন, ডাক্তারদের চেম্বার কিংবা হাসপাতালে অভিযোগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কি কোনও নোটিশ ঝোলানো থাকে যা থেকে রোগীরা সচেতন হবেন, কিভাবে তারা ভুল চিকিৎসা বা দায়িত্বে অবহেলার বিষয়ে অভিযোগ করতে পারবেন সেই প্রক্রিয়া সম্পর্কে কি তাদের অবহিত করা হচ্ছে? ডা. মিল্লাত হেসে জবাব দিলেন, কাউন্সিল থেকে ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার প্রত্যেক ডাক্তারের চেম্বারে ঝোলাতে একটি নীতিমালা করার পরও সেটি মানছেন না অনেকে। তাহলে অভিযোগের ব্যাপারে কোথায় রিপোর্ট করতে হবে সেই নীতিমালা কতটুকু কার্যকর হবে সেটা সহজেই অনুমেয়! মেডিক্যাল হিস্ট্রি আর সেন্ট্রাল ডাটা বেইজ না থাকলে কিসের ভিত্তিতে অভিযোগের তদন্ত করবেন জানতে চাইলে ডা. মিল্লাত জানালেন, বাংলাদেশের বেসরকারি কিছু হাসপাতালে এধরনের ডাটা সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও সরকারি কোনও হাসপাতালে রোগীর মেডিক্যাল হিস্ট্রি লিপিবদ্ধ করার কোনও নীতিমালা বা বাধ্য বাধকতা নেই। বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার ডাক্তারের মধ্যে ২৮ হাজার সরকারি ডাক্তার রয়েছেন। অবিশাস্য হলেও সত্য এই ২৮ হাজার সরকারি ডাক্তারের কোনও কম্পিউটার নেই! ডাক্তারের টেবিলে কম্পিউটার না থাকলে তিনি প্রেসক্রিপশনই বা টাইপ করবেন কিভাবে আর মেডিক্যাল হিস্ট্রিই বা লিপিবদ্ধ করবেন কিভাবে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশের মতো একটি দেশে প্রতি রোগীর পেছনে বছরে ২৭ থেকে ২৯ ডলার পর্যন্ত খরচ করলে বেসিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব, সেখানে প্রতি রোগীর পেছনে বাংলাদেশে খরচ হচ্ছে ৭ থেকে ৯ ডলার। এখানেও বাজেট স্বল্পতার কথা বলছেন ডা. মিল্লাত এমপি। সুতরাং মূল কথা হলো, শুধুমাত্র হাতের লেখা পরিচ্ছন্ন হলেই হবে না, রোগীর মেডিক্যাল হিস্ট্রি সংরক্ষণ করার বিষয়ে আইন ও নীতিমালা থাকতে হবে। অভিযোগ যাচাই বাছাই করার কাউন্সিলকে কার্যকরী করে তুলতে হবে। কাউন্সিল ভুল করলে রোগী যেন আইনি লড়াইয়ে যেতে পারেন সেই পথটিও খোলা রাখতে হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রোগীদের জন্য একটা সেন্ট্রাল ডাটা বেইজ তৈরি করা খুব সহজ কাজ নয়, তবে অসম্ভবও নয়। ইংল্যান্ডে প্রত্যেক নাগরিকের তার নিজের এলাকায় একটি মেডিক্যাল সেন্টারে (ইংল্যান্ডে জিপি নামে পরিচিত) নাম লিপিবদ্ধ করতে হয়। প্রত্যেক নাগরিকের একটি হেলথ নম্বর থাকে। ডাক্তাররা যখনই সেই সংশ্লিষ্ট রোগীকে দেখবেন তার যাবতীয় তথ্য হেলথ নম্বর অনুয়ায়ী লিপিবদ্ধ করা থাকে। কোনও ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারা রোগীর হেলথ নম্বর দিয়ে তথ্য ভাণ্ডারে ঢুকে রোগীর কেইস হিস্ট্রি  দেখে নিতে পারেন। কোনও ডাক্তার যদি ভুল চিকিৎসা, অতিরিক্ত ওষুধ কিংবা অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দেন তাহলে প্রয়োজনে রোগী কিংবা রোগীর পরিবার সেই তথ্য তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন। যেহেতু বাংলাদেশের রোগীর মেডিক্যাল হিস্ট্রি সংরক্ষণের কোনও আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই, তথ্য সংরক্ষণেরও কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি তাই সব সময়ই ভুল চিকিৎসার অভিযোগে রোগী কিংবা রোগীর পরিবারের সদস্যরা ব্যবস্থা নিতে পারেন না। রয়্যাল লন্ডন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছিল সংশ্লিষ্ট রোগীর মেডিক্যাল হিস্ট্রি ও ভিকটিমের পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। শুধু তাই নয় ভবিষ্যতে এই কেইসটির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে চিকিৎসকরা গবেষণায় কাজে লাগাতে পারবেন। বাংলাদেশের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ রয়েছে তারা রোগীর সাথে সহজ নন। ডাক্তাররা যেন এক একজন রাগী শিক্ষক আর রোগীরা তাদের শিক্ষার্থী! উন্নত দেশগুলোতে রোগীকে সিরিয়াল অনুযায়ী ডাকতে রুম থেকে বেরিয়ে আসেন ডাক্তার নিজে। দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আগে রোগীকে বসান এবং কুশলাদি বিনিময় করেন। রোগীর লম্বা কিউ থাকলে বিনীতভাবে দুঃখ প্রকাশ করে তারপর অসুখ সম্পর্কে জানতে শুরু করেন। রোগীকে রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ডাক্তারদের থাকলেও বাংলাদেশে এই চর্চা নাই বললেই চলে। ডা. মিল্লাত বললেন, ‘বাংলাদেশে কাউন্সেলিং অ্যান্ড বিহেইভিয়ার সায়েন্স পড়ানো শুরু হয়েছে ৪/৫ বছর যাবৎ, তাই সিনিয়র ডাক্তারদের চেয়ে তরুণ ডাক্তারদের মধ্যে আচরণগত সমস্যার অভিযোগ কম।’ ডাক্তারদের নিয়ে বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী কুমার বিশ্বজীৎ-এর একটি রোম্যান্টিক গান আছে। গানের প্রথম কয়েকটি লাইন এরকম, ‘ও ডাক্তার, আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি, দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রুপসি ভারি। ছুড়ি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে, আমার বাঁচা মরা পরে, তার জীবনটা আগে গো ডাক্তার। ও ডাক্তার।’ যদিও সব রোগী শিল্পীর গানের মতো হার্টের মধ্যে রুপসি নারী নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন না, তবুও গানটির ভিডিও চিত্রের দৃশ্যায়নের মতো হোক আামদের ডাক্তার ও রোগীর সম্পর্ক।

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY