বগুড়ায় গরম তেলে নারীকে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ

0
147

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: বগুড়ায় গরম তেলের মধ্যে ফেলে রাবেয়া খাতুন (৫০) নামের এক পিঠা বিক্রেতাকে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি বাড়িরর পাশে একটি ছোট দোকানে ডালপুরি, সিঙ্গারা, পাঁপড় ভেজে বিক্রি করতেন। গত শুক্রবার রাতে শহরের মালগ্রাম কসাই পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, পাঁপড় ভেজে দিতে দেরি হওয়ায় শরিফ উদ্দিন রতন নামে এক ব্যক্তি লাথি মারলে ওই নারী কড়াইয়ের গরম তেলের মধ্যে পড়ে যান। রতন একই এলাকার জনৈক হবিবর কসাইয়ের ছেলে। মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মেয়ে কল্পনা আকতার বাদী হয়ে সদর থানায় রতনসহ তিন জনের নামে মামলা করেন। পুলিশ রতনের সহযোগী দুই নারীরে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার দুই জন হলেন শহরের মালগ্রাম উত্তরপাড়ার আফজাল হোসেনের মেয়ে ছবি আক্তার (২২) ও মিলি খাতুন (১৯)। ভুক্তভোগী রাবেয়ার ভাই চাঁন মিয়া জানান, ‘ভগ্নিপতি আবুল কাশেম রিকশা চালালেও সংসারের অভাব দূর হয়না। তাই বোন রাবেয়া খাতুন বাড়ির পাশে ডালপুরি, সিঙ্গারা, পাঁপড় বিক্রি করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় পাঁপড় ভাজতে দিতে দেরি হওয়ায় রতন লাথি মারলে রাবেয়া কড়াইয়ের মধ্যে পড়ে যায়। এতে তার শরীর ঝলসে যায়।’ আসামি শরিফ উদ্দিন রতন জানান, ‘রাবেয়া খাতুনের মেয়ে কল্পনা দাদন ব্যবসা করেন। তার কাছে রুবেল নামে এক ব্যক্তি টাকা পান। আমি শুক্রবার সন্ধ্যায় রুবেলের সঙ্গে রাবেয়ার দোকানে গিয়েছিলাম। পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হলে রাবেয়া খাতুন নিজেই তার শরীরে গরম তেল ঢেলে দেয়।’ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী জানান, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি রতন পলাতক থাকায় তার সহযোগী দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY