ফের আন্দোলনে রুয়েট শিক্ষার্থীরা

0
176

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ফের অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে রুয়েটের চারটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তবে তাদের এ আন্দোলন অযৌক্তিক দাবি করেছে রুয়েট কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, রুয়েটে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ৪০ ক্রেডিটের মধ্যে ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জন করতে হয়। অন্যথায় তাকে সেই বর্ষেই থেকে যেতে হয়। এর আগে নিয়ম ছিল, কোনও শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে বা অনুপুস্থিতির কারণে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন না করলেও পরবর্তী বর্ষে ক্লাস-পরীক্ষা দিতে পারতো। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে পরীক্ষা দিয়ে ওই ক্রেডিট অর্জন করতে হতো। তবে ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ নিয়ম তুলে নেয় রুয়েট প্রশাসন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ৩৩ ক্রেডিটের এ পদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখিন হবে। বিশেষ করে, রুয়েটে ক্লাস-ল্যাবের সংকট থাকার কারণে যারা ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে না তাদেরকে অন্য ব্যাচের সঙ্গে ক্লাস বা ল্যাবে থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে জায়গা ও শিক্ষাগত দুই দিকেই সমস্যা হবে। এছাড়া কোনও শিক্ষার্থী অসুস্থতা বা অন্য কোনও সমস্যার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে তার এক বছরের বেশি সময় ক্ষতি হবে। এমনকি সিলেবাসগত জটিলতায়ও পড়তে হয় ওই শিক্ষার্থীকে। এসময় তারা এ পদ্ধতি বাতিল করে আগের পদ্ধতি আবার চালুর দাবি করেন। পাশাপাশি তাদের দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি এই পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এ দাবিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল আলম বেগ বলেন, ‘ফেল (অকৃতকার্য) করে কি কখনও পরবর্তী বর্ষে ওঠা যায়? আমরা তাও তো একটি/দুটি বিষয়ে ফেল করলেও যেন পরের বর্ষে উঠতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। ওরা তো সব বিষয়ে ফেল করেও পরবর্তী বর্ষে ওঠার দাবি করছে।’ অধ্যাপক রফিকুল আলম বেগ আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এর আগে শুধু স্মারকলিপি দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলেনি। তবে আমরা একাডেমিক কমিটি, বিভাগীয় প্রধান, ডিনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবো।’ প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট একই দাবিতে রুয়েটের প্রশাসন ভবনের সামনে আন্দোলন করেন রুয়েটের শিক্ষার্থীরা।

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY