রাতারাতি সাজলো রাজশাহী স্টেশন

0
220

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক: বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা-পরিচালক (ডিজি) আমজাদ হোসেন গতকাল শুক্রবার এসেছিলেন রাজশাহীতে। তাই তাকে খুশি করার জন্য পশ্চিম রেলের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা আগে থেকেই ছিলেন অত্যন্ত তৎপর।

স্টেশন ভবনে লাগানো পোষ্টার উঠিয়ে রং-এর কাজ করেছিলেন তারা। জিএম এর গ্রামের বাড়ি বগুড়া এলাকা থেকে আনা হয়েছিল কয়েক হাজার বাহারী ফুল গাছ। যা স্টেশনের পার্কিং জোনে লাগানো হয়েছিল। আর ফুল গাছ সংরক্ষণের জন্য বসানো হয় ফেনসিং গ্রিল।

কিন্তু কাজগুলো রাতা-রাতি করতে গিয়ে নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরা পড়ে। অথচ আগে থেকেই এসব কাজগুলো পরিকল্পনামতো করা হলে রাজশাহী স্টেশনের পরিবেশ আরো সুন্দর ও টেকসই করা যেতো।

15202685_1344785552232799_2782355843698525093_n

রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযোগ করে

মিরর বাংলা নিউজকে বলেন, রাজশাহী রেলস্টেশন পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য মন্ডিত থাকুক তা হয়তো পশ্চিম রেলের কর্তাদের কাছে এতদিন কাঙ্খিত ছিল না। শুধুমাত্র ‘বড়কর্তাকে’ খুশি করার আয়োজন করতে গিয়ে তড়িঘড়ি লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে অস্থায়ীভাবে স্টেশনের সৌন্দর্য বৃদ্ধির নামে সরকারি টাকা তোছরুপ করা হলো।

এদিকে ফুল বাগানের ফেনসিং গ্রিলের ফালা বা বল্লম কতযে প্রাণঘাতী হতে পারে। কারণ ওই গ্রিলগুলোর ওপরে কেউ আছড়ে পড়লে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটতে পারে। আমোট কথা সবকিছুই গোলমেলে আর রহস্যাবৃত থেকেই যাচ্ছে।

এসব বিষয় নিয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক খায়রুল আলমের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY