সোনা ছিনতাই পুলিশসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

0
251

মিরর বাংলা নিউজ  ডেস্ক:চট্টগ্রামে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও র‍্যাব পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলায় দুই পুলিশসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়েছে। তাঁরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিজানুর রহমান, কনস্টেবল খান এ আলম ও পুলিশের সোর্স আল আমিন। বরখাস্ত হওয়া দুই পুলিশ কর্মকর্তা নগরের কোতোয়ালি থানার এনায়েত বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।

আজ রোববার চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম মো. শাহজাহান কবিরের আদালতে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবিদ হোসেন  বলেন, ১০২ ভরি ওজনের আটটি সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলায় দুই পুলিশসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়েছে। তিন আসামির মধ্যে পুলিশের দুই সদস্য জামিনে রয়েছেন। কারাগারে আছেন সোর্স আল আমিন। শুনানির সময় তিনজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আইনজীবী তাঁদের নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ গঠন থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বিরোধিতা করে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর নগরের লাভ লেন এলাকায় জুয়েলারি দোকানের মালিক দোলন বিশ্বাসের কাছ থেকে র‍্যাব ও ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ১০২ ভরি ওজনের আটটি সোনার বার ছিনতাই করা হয়। এ ঘটনার পরদিন তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি ছিনতাইয়ের মামলা করেন। নগর পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে কোতোয়ালি থানার পুলিশ মামলাটি তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় এনায়েত বাজার পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল খান এ আলমকে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। নগরের বন্দর এলাকা থেকে পুলিশের সোর্স আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছিনতাই হওয়া আটটি সোনার বারের মধ্যে আল আমিনের কাছ থেকে চারটি, দুই পুলিশের কাছ থেকে দুটি করে চারটি সোনার বার উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তাঁদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রিটন সরকার দুই পুলিশসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১০ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

সূত্র: প্রথম আলো

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY