ইলিশ, কেজি ১৩০

0
209

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে ইলিশ বিক্রি করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। তবে স্থানীয় আড়তদারেরা বলছেন, মাছগুলো ওমান ও মিয়ানমার থেকে আসা ইলিশের মতো দেখতে একধরনের সামুদ্রিক মাছ।
আজ সোমবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসব মাছ বিক্রি করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।
মাছ কেনার পর রহিমা বেগম নামে উপজেলার এক বাসিন্দা বলেন, বাজারে ইলিশের দাম অনেক। তাই দাম কম পেয়ে কিনলাম।
সালাম নামের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, এটা ভৈরবের ইলিশ, আকারে ছোট। গোয়ালন্দ থেকে তাঁরা প্রতিদিন ভোরে এই মাছ কেনেন। পরে নিজ এলাকায় মাছগুলো বিক্রি করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার এক আড়তদার বলেন, উপজেলায় চকড়ি, চন্দনী, কলম্বো ও লাচ্চু নামের সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বৈশাখে ইলিশের মূল্য আকাশছোঁয়া হওয়ায় অনেকটা ইলিশের মতো দেখতে এমন সামুদ্রিক মাছ বেশি বিক্রি হচ্ছে। মাছগুলো ওমান ও মিয়ানমার থেকে জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে নামার পর হিমাগারে রেখে সেখান থেকে শীতাতপ-নিয়ন্ত্রিত কাভার্ডভ্যানের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০০ মণ মাছ গোয়ালন্দে নামে। বিক্রেতারা এখান থেকে নিয়ে দৌলতদিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেন। এর মধ্যে চকড়ি ও চন্দনীকে কখনো ভৈরব, চট্টগ্রাম বা চাঁদপুরের ইলিশ বলে চালানো হয়।

গোয়ালন্দ বাজারের আড়তদার বাদল বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা ঢাকা থেকে চকড়ি বা চন্দনী মাছ কিনে থাকি। সামুদ্রিক হলেও স্বাদ অনেকটা ইলিশের মতো। বলা যায়, ইলিশের বিকল্প হিসেবে অনেকে এই মাছ কেনেন। শুনেছি, অনেকেই আমাদের কাছ থেকে নিয়ে গ্রামাঞ্চলে মিয়ানমার, কখনো দেশীয় ইলিশ বলে বিক্রি করেন। ১১০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন প্রায় ২৫-৩০ মণ এসব মাছ বিক্রি করে থাকি। তবে বাজারের কিছু ব্যক্তি সামুদ্রিক মাছ লাচ্চুকে কোল্ড স্টোরেজের ইলিশ বলে বিক্রি করছেন।’

তবে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ আহম্মেদ বলেন, ‘এ ধরনের খবর আমার জানা নেই।’

Prothom Alo+

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY